বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন

মোহাম্মদপুরে বাসার গেইটে ছিনতাইয়ের শিকার দুই নারী, অপরাধীরা নারায়ণগঞ্জের

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ১ বার

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে গ্রামের বাড়ি থেকে ফেরার পর রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নিজেদের বাসার গেইটের সামনে ছিনতাইয়ের শিকার হন দুই নারী।অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ছিনতাইয়ের এ ঘটনার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ নারায়ণগঞ্জ থেকে ঘটনায় জড়িত  দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানায়, জড়িতরা পেশাদার ছিনতাইকারী। তারা নারায়ণগঞ্জ থেকে মোহাম্মদপুরে এসে মানুষজনের মালামাল লুটপাট করে।

বুধবার সংবাদ সম্মেলনে এসে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (এডিসি) ফজলুল করিম এ তথ্য দেন।

তিনি বলেন, এই পেশাদার ছিনতাইকারী চক্রের কয়েকজন একসময় মোহাম্মদপুরে থাকত। পরে তারা নারায়ণগঞ্জে নতুন আস্তানা গড়ে তোলে। সেখান থেকে এসে তারা নিয়মিত ছিনতাই করছে।

গত শনিবার দিনগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে ঠাকুরগাঁও থেকে ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফেরেন দুই বোন। মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোড এলাকায় তারা নিজেদের বাসার গেইটের সামনে অটোরিকশা থেকে নামতেই ছিনতাইয়ের শিকার হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, অটোরিকশা থেকে নামার পর চাপাতি হাতে দুই ব্যক্তি তাঁদের ভয় দেখিয়ে লাগেজ, ব্যাগ ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নিয়ে যায়। একটি পিকআপে ছিনতাইকারীরা আসে এবং ছিনতাই শেষে পিকআপ নিয়েই চলে যায়।

এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন জুয়েল ওরফে আরিফ (৪৫) এবং আনোয়ার হোসেন (২৮)।

সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনার তদন্তের অগ্রগতি উল্লেখ করে পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় ব্যবহৃত পিকআপ, চাপাতি ও ছিনতাই হওয়া কিছু আলামত উদ্ধার করা হলেও ছিনতাই হওয়া ট্রলি ব্যাগ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ কর্মকর্তা ফজলুল করিম বলেন, মামলার তদন্তে প্রথমে জুয়েল নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে তার হাতে চাপাতি দেখা গেছে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনোয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়। আনোয়ারকে ট্রলি ব্যাগটি পিকআপে তুলতে দেখা যায়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় ব্যবহৃত পিকআপ, চাপাতি, কিছু কাপড় উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, গ্রেপ্তার জুয়েলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মাদক কারবার, ডাকাতি এবং নারী ও শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত মামলাও আছে।

ফজলুল করিম বলেন, জব্দ করা পিকআপের মালিক ও চালকের ছিনতাইচক্রে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ