নব্বই ও শূন্য দশকে ক্ষমতার পালাবদলের পর বাংলাদেশে একটা অভিন্ন বিষয় দেখা যেত। নতুন সরকার এসে পূর্ববর্তী সরকারের আমলে করা রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি করে নেতা-কর্মীদের ছাড়ানোর ব্যবস্থা
যার সঙ্গে আলাপ করি সবাই একবাক্যে বলেন, ভালো নেই! শ্রমিক কর্মচারী-শিল্পপতি-আমলা-কামলা থেকে শুরু করে প্রান্তিক পর্যায়ের ছোট ছোট দোকানদার, সবজি বিক্রেতা, খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের শত-সহস্র পেশাজীবীর ঘুম কিভাবে হারাম
ধর্মীয় উৎসব মানেই শুধু আধ্যাত্মিক অনুশীলন বা পারিবারিক মিলন নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বাজার-অর্থনীতির এক বিশেষ ঋতু। পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে, আর বড়দিন খ্রিস্টান
রাজনীতি কি কেবলই আদর্শের লড়াই, নাকি রক্ত আর উত্তরাধিকারের এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধন? বিশ্ব ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায় এমন কিছু প্রভাবশালী পরিবারের গল্প, যেখানে ক্ষমতা প্রবাহিত হয়েছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ২০২৫ এ সালের শেষভাগ থেকে দেশ জুড়ে যে অজানা শঙ্কা, গুজব ও অস্থিরতা বিরাজ করছিল, তা দূর করে একটি উৎসবমুখর ও সংঘাতহীন নির্বাচন উপহার দেওয়া
সোজা ভাষায় সবার মনে একই প্রশ্ন। তবে উত্তর সবাই আশা করে একটাইÑ একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ, ত্রুটিমুক্ত সবার গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হতেই হবে। এটা এখন আর কারও পছন্দের পর্যায়ে নেই,
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে ইশতেহার জাতির সামনে তুলে ধরলেন, তা পুরোপুরি আশাব্যঞ্জক। আশা জাগানিয়া এই ইশতেহার যদি সত্যিই রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে প্রতিফলিত হয়, তাহলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানটির
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে মিত্র থেকে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে শক্তির ব্যবধান চোখে পড়ার মতো হলেও কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না।
নির্বাচন কেবল ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া নয়, এটি জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার প্রকাশ। জনগণ ভোটের মাধ্যমে ঠিক করে দেয় কে তাদের শাসন করবে, কোন নীতিতে দেশ পরিচালিত হবে এবং কোন
ছাব্বিশের বাংলাদেশ শুধু একটি সময়কাল নয়; এটি ইতিহাসে এক আত্মপর্যালোচনার মুহূর্ত। এ সময় রাষ্ট্র প্রথমবারের মতো নিজেকে প্রশ্ন করছে আমরা কোথায় ভুল করেছি, কেন ক্ষমতা জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে