শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামবে ব্রাজিল হরমুজে ফের উত্তেজনা, একাধিক ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি মার্কিন বাহিনীর ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পরিকল্পনা, অভিবাসীদের পাঠানো হবে আফ্রিকায় বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা বগুড়ার চার উপজেলায় বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন উপহার, দরিদ্র পরিবারে আশার আলো জ্বালল বসুন্ধরা গ্রুপ বাজেট প্রতিক্রিয়া. বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি এফবিআইয়ের ড্রোন হ্যাকের দাবি, বিশ্বকাপে হামলার হুমকি ইরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হলে খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালি: ইরান কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

এবার ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন ডিবির হারুনসহ ১০ শীর্ষ কর্মকর্তা

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬০ বার

গাজীপুরের বহুল আলোচিত পাতারটেক জঙ্গি নাটক ঘটনায় প্রথমবারের মতো বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। সম্প্রতি সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক, সাবেক আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া ও পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের তৎকালীন প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম।

প্রসিকিউশন জানায়, দীর্ঘ তদন্তের পর চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এ মামলার প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। এ নিয়ে শুনানির পর পরবর্তী দিন ধার্য করবেন ট্রাইব্যুনাল। এ সময় অভিযুক্ত অন্য কর্মকর্তারাও বিভিন্ন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও অপারেশন বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলেও প্রসিকিউসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ওই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল পরিকল্পিতভাবে একটি ভুয়া ‘জঙ্গি নাটক’ সাজিয়ে সাতজনকে হত্যা করে। পরে তারা ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে প্রচার করে। নিহতদের জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও তদন্তে উঠে আসে যে তারা বিচারবহির্ভূতভাবে নিহত হন এবং পুরো ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত।

উল্লেখ্য, নিহত সাতজনের একজন ছিলেন ইবরাহীম। তিনি যাত্রাবাড়ীর একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন। পরিবারের দাবি, ইবরাহীম কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের ঘটনায় নতুন করে অভিযোগ জানানোর সুযোগ তৈরি হলে ইবরাহীমের বাবা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কাছে ছেলের গুম ও হত্যার অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগই পরবর্তীতে এই মামলার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ