রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যার মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে গতকাল পর্যন্ত সই করেননি বিচারক। আজ মঙ্গলবার বিচারকের সই শেষে মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পাঠানো হবে। গতকাল সোমবার আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে গত রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ ও বিভিন্ন স্থানে জখমের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া স্বীকারোক্তি দেওয়ার পর তা প্রত্যাহারের কোনো আবেদন না থাকায় বোঝা যায়, সোহেল রানা স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেছে। আর স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন স্বপ্না।
গত ১ জুন আলোচিত এ মামলায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। পরদিন ২ জুন এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপর ওইদিনই মামলার ১৮ জনের মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এ ছাড়া ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পরে গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়। সব মিলিয়ে মাত্র ৪ কার্যদিবসে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।