আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বাঁধভাঙ্গা উচ্ছাস আর আনন্দের মধ্যে সাভারে জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি উপভোগ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা।
আজ রোববার সকালে ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে আর্জেন্টিনার ভক্তদের উন্মাদনা দেখতে লিওনেল মেসির ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ইনফ্লুয়েন্সার রুলিসহ দূতাবাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে সাভারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি যান মার্সেলো কার্লোস সেসা।
সেখানে তাকে স্বাগত জানান ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির, উপ-উপাচার্যঅধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাসুম ইকবালসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সেখান থেকে তিনি সরাসরি চলে যান স্বাধীনতা সম্মেলন কেন্দ্রে। সেখানে জায়েন্ট স্ক্রিনে উপভোগ করেন খেলা।
এ সময় সবার উপরে ধরে রাখা বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকার চারপাশে আকাশী আর সাদা রঙের জার্সির ভিড়ে পুরো সম্মেলন কেন্দ্র জুড়ে তৈরি হয় আর্জেন্টিনার আবহ।
আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মুহুর্মুহু স্লোগান আর উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন রাষ্ট্রদূত নিজে।
জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচের ১৯ মিনিটে জিওভানি লো সেলসো ফ্রি কিক থেকে প্রথম গোলের পর বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজেই উঠে যান স্টেজে। এর ১২ মিনিট পর পেনাল্টি থেকে গোল করেন লাওতারো মার্তিনেজ। আর্জেন্টিনার জার্সি পরা ভক্ত সমর্থকদের সঙ্গে এবারও তিনি মাতোয়ার হন উৎসবে।
এক পর্যায়ে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয় লাওতারো মার্তিনেজকে। এ সময় লিওনেল মেসিকে মাঠে নামতেই হর্ষধ্বনীতে ফুট ফেটে পড়েন সমর্থকরা।
এ সময় আর্জেন্টাইন সমর্থকদের উল্লাসের মধ্যে রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসো বলেন, ‘আমি নিজের দেশের মতো অনুভব করছি। মনে হচ্ছে, আমি আর্জেন্টিনায় আছি।’
বাংলাদেশের মানুষের ফুটবলপ্রেম এবং আর্জেন্টিনার মানুষের আবেগের মধ্যে গভীর সাদৃশ্য রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এই অভিন্ন ভালোবাসাই দুই দেশের মানুষের মধ্যে এক বিশেষ বন্ধন তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রদূত।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টাইন লেখক, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সাংস্কৃতিক দূত ড্যান লান্দে, আর্জেন্টিনার ইনফ্লুয়েন্সার রুলি, আর্জেন্টিনার সৃজনশীল পেশাজীবী ম্যানুয়েল হাভিয়ের এসকেরা রামোন, মার্তিন দে এসকালাদা, মার্তিনা জয়ে গন্ডেল ও সান্তিয়াগো কন্দে।