রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০৮:২৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে গিয়ে নিখোঁজ আওয়ামী লীগের এমপি মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ২টি গ্রামে আরাকান আর্মির হামলা ‘কিরগিজস্তানকে আমাদের গভীর উদ্বেগ জানিয়েছি, কোনো বাংলাদেশী শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়নি’ কালশীতে পুলিশ বক্সে আগুন অটোরিকশা চালকদের স্বেচ্ছাসেবক লীগের র‌্যালি থেকে ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চরম তাপপ্রবাহ আসন্ন বিপদের ইঙ্গিত দ্বিতীয় ধাপে কোটিপতি প্রার্থী বেড়েছে ৩ গুণ, ঋণগ্রস্ত এক-চতুর্থাংশ: টিআইবি সাড়ে ৪ কোটি টাকার স্বর্ণসহ গ্রেপ্তার শহীদ ২ দিনের রিমান্ডে ‘গ্লোবাল ডিসরাপ্টর্স’ তালিকায় দীপিকা, স্ত্রীর সাফল্যে উচ্ছ্বসিত রণবীর খরচ বাঁচাতে গিয়ে দেশের ক্ষতি করবেন না: প্রধানমন্ত্রী
শিশুও আক্রান্ত হতে পারে কিডনি রোগে

শিশুও আক্রান্ত হতে পারে কিডনি রোগে

স্বদেশ ডেস্ক:

বৃক্ক বা কিডনির সমস্যা যে শুধু বড়দের হতে পারে, এমন নয়। মায়ের পেটে অবস্থান করা থেকেই নবজাতক আক্রান্ত হতে পারে এ রোগে। তিন-চার বছরের শিশুও আক্রান্ত হতে পারে। অল্প বয়সী শিশুরা মূলত দুই ধরনের কিডনির সমস্যায় ভোগে। একটি নেফ্রোটিক সিনড্রোম, আরেকটি অ্যাকিউট গ্লোমেরিউলো নেফ্রাইটিস।

লক্ষণ : নেফ্রোটিক সিনড্রোমে আক্রান্ত হলে প্রথমে শিশুর চোখ ফুলে যাবে। এরপর পা এবং পুরো শরীর ফুলে ওঠে। প্রস্রাবের পরিমাণ কমে আসে। এ রোগ বারবার দেখা দিতে পারে। নেফ্রাইটিস সিনড্রোম স্কুলগামী ছেলেমেয়েদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। শিশুর শরীরে খোশ-পাঁচড়া বা গলাব্যথা অসুখের ১০ থেকে ২১ দিন পর সাধারণত এ রোগ প্রকাশ পায়। স্টেপটোকক্কাই নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ এ জন্য দায়ী। এ ছাড়া কিডনির আরও কিছু সমস্যা দেখা যায়। মেয়েদের চেয়ে ছেলেরাই বেশি আক্রান্ত হয়, এমন আরও কিছু রোগ হলোÑ

পোস্টিরিওর ইউরেথ্রাল ভালব : এ সমস্যায় শুধু ছেলেশিশু আক্রান্ত হয়। এতে আক্রান্ত শিশু প্রস্রাব করার সময় কষ্ট অনুভব করে, প্রস্রাবের ধারা দুর্বল ও থেমে থেমে হয়, মাঝে মধ্যে জ্বর হতে পারে, কারও তলপেটে নাভির কাছের অংশ ফুলে যায়, শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি কমে। ঠিক সময়ে চিকিৎসা না করলে কিডনির বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে।

ইউটেরোসিলি : এ রোগে মেয়েশিশু বেশি ভোগে। কিডনির সঙ্গে মূত্রথলি ইউরেটর দিয়ে যুক্ত। ইউরেটর বেলুনের মতো ফুলে যায়। ফলে প্রস্রাব আটকে যায়। এ অসুখে এন্ডোস্কোপিক সার্জারি করার প্রয়োজন হতে পারে। হাইপোস্পেডিয়াসিস, মিয়েটাল স্টেনসিস, ফাইমোসিস, হাইড্রোসিলি, আনডিসেন্ডেড টেস্টিসÑ অসুখগুলোয় ছেলেশিশু আক্রান্ত হয়। আনডিসেন্ডেড টেস্টিসে যথাসময়ে চিকিৎসা না করা হলে সন্তান জন্মদান ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

পেলভি-ইউরেটেরিক জাংশন অবস্ট্রাকশন : এ রোগে ছেলেমেয়ে উভয় শিশুই আক্রান্ত হয়। রোগটি জন্মগত হলেও প্রকাশ পেতে সময় লাগে। তাই যথাসময়ে রোগ নির্ণয় জরুরি।

কিডনি রোগ প্রতিরোধে করণীয় : পানি এবং পানিজাতীয় খাবার কম খাওয়ার কারণে কিডনির সমস্যা বেশি হয়। আবার দীর্ঘদিন কোমল পানীয় বা বেভারিজ পানে প্রস্রাবের অম্লত্ব কমে আসে। ফলে ইউরিন ইনফেকশনের প্রবণতা বেড়ে যায়। তাই অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে।

আমাদের দেশে এখনো অনেকে কবিরাজি চিকিৎসা ও ওষুধের ওপর নির্ভর করে থাকেন। এ ধরনের ওষুধে মার্কারির পরিমাণ থাকে বেশি। মার্কারি কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আবার শিশুরা বাগান বা মাঠে খেলতে গেলে অনেক সময় বোলতা বা মৌমাছি হুল ফুটিয়ে থাকে। পোকামাকড়ের হুলে এক ধরনের টক্সিন বা বিষ থাকে, যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর। শিশুদের কিডনি বা মূত্রতন্ত্রের সমস্যা প্রথম পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে সাধারণ চিকিৎসায় সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

© All rights reserved © 2019 shawdeshnews.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themebashawdesh4547877