শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বর্তমান সরকারের গতি-প্রকৃতি ও জনপ্রত্যাশা শিক্ষার্থী বিক্ষোভে দিল্লির ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ আগামীকালই পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২৭ জুলাই আগামীর বাংলাদেশে যেন কোনো গ্রামবাসী চিকিৎসার অভাবে প্রাণ না হারায়: ডা. জুবাইদা বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ধর্ষণ, চট্টগ্রাম এনসিপির শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার জিয়াউর রহমান হত্যা মামলা : মোজাফফরকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ, জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি হবে ট্রিলিয়ন ডলারের: প্রধানমন্ত্রী আটঘর-কুড়িয়ানা পেয়ারা বাগান ভ্রমণে ৮ নির্দেশনা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ২৬ বার

অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। আঠারো মাসে বিদেশে চিকিৎসার জন্য তিনি সরকারি কোষাগার থেকে বিল নিয়েছেন ৭৯ লাখ ৩৮ হাজার ২২৯ টাকা। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের বিদেশে চিকিৎসা খরচের এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয়।

বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, ‘আমি খুব সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। একপর্যায়ে শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। দেশে চিহ্নিতই করা যাচ্ছিল না। পরে বাধ্য হয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় সরকারের অনুমোদন নিয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়েছি। সেখানে আমি তিনবার চিকিৎসা নিয়েছি।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছিলেন এই উপদেষ্টা। এর মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪১ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা, যা মোট স্বাস্থ্য বাজেটের ০.০০০১৮৯ শতাংশ। প্রতিবছর লাখ লাখ বাংলাদেশি চিকিৎসা করাতে বিভিন্ন দেশে যান।

বিদেশে চিকিৎসা বাবদ ৮১ লাখ ৯১ হাজার ৪৮৮ টাকা নিয়ে প্রথম অবস্থানে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। সালেহউদ্দিন আহমেদের বাইরে তৃতীয় সর্বোচ্চ বিদেশে চিকিৎসা বিল নিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি নিয়েছেন ৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৪৪ টাকা। সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নিয়েছেন ৭ লাখ ১৫ হাজার ৬৪৯ টাকা।

৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৩৫ টাকা নিয়েছেন বিদ্যুৎ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। ভূমি উপদেষ্টা হাসান আরিফ নিয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ২১৬ টাকা। ২ লাখ ৩৫ হাজার ৭২৯ টাকা নিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. এম আমিনুল ইসলাম। খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার নিয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজার ১৩৪ টাকা।

এ ছাড়া পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দীন মাহমুদ নিয়েছেন ৬৭ হাজার ৩৬৭ টাকা। ৩১ হাজার ৫২ টাকা নিয়েছেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান ২১ হাজার ৮০০ টাকা। প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা শেখ মইনউদ্দিন চিকিৎসা বাবদ নেন ৪ হাজার ১৬০ টাকা।

মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের চিকিৎসার বিষয়টি তদারকি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তারা বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে তার বিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দেয়। পরে তা মন্ত্রীদের অ্যাকাউন্টে যোগ হয়।

দেশেও মন্ত্রী বা উপদেষ্টারা বিনা খরচেই চিকিৎসা নেন। তারা সাধারণত সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মন্ত্রীদের কাছ থেকে সেই বিলের টাকা নেন না।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ