ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘাত দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। সহসা এই সংঘাত বন্ধ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। বরং পরিস্থিতির আরও অবনতি হচ্ছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও
বক্তৃতা বা কথায় নয়, কাজ করে দেখাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাস্তবে প্রতিদিন পাড়ি দিতে হচ্ছে এক বন্ধুর পথ। পাছে লোকে কিছু বলের দিকে তাকানোর সুযোগ নেই। পুরোনো-নতুন প্রতিপক্ষের শব্দদূষণ, খোঁচা-খিঁচুনি,
বাংলাদেশ গত দুই দশকে দারিদ্র্য হ্রাসে অগ্রগতি অর্জন করলেও চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে। সাম্প্রতিক সরকারি হিসাব অনুযায়ী দেশে এখনো প্রায় ১৮-১৯ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে এবং চরম দারিদ্র্যে
পারস্য উপসাগরের নীল জলরাশি আর শান্তির বার্তা দিচ্ছে না। সেখানে এখন বারুদের গন্ধ, আসন্ন মহাপ্রলয়ের পদধ্বনি। ইরান দীর্ঘ সময়ের নীরবতা ভেঙে এমন এক রণমূর্তি ধারণ করেছে, যা ট্রাম্পের সিলেবাস আর
নব্বই ও শূন্য দশকে ক্ষমতার পালাবদলের পর বাংলাদেশে একটা অভিন্ন বিষয় দেখা যেত। নতুন সরকার এসে পূর্ববর্তী সরকারের আমলে করা রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি করে নেতা-কর্মীদের ছাড়ানোর ব্যবস্থা
যার সঙ্গে আলাপ করি সবাই একবাক্যে বলেন, ভালো নেই! শ্রমিক কর্মচারী-শিল্পপতি-আমলা-কামলা থেকে শুরু করে প্রান্তিক পর্যায়ের ছোট ছোট দোকানদার, সবজি বিক্রেতা, খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের শত-সহস্র পেশাজীবীর ঘুম কিভাবে হারাম
ধর্মীয় উৎসব মানেই শুধু আধ্যাত্মিক অনুশীলন বা পারিবারিক মিলন নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বাজার-অর্থনীতির এক বিশেষ ঋতু। পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে, আর বড়দিন খ্রিস্টান
রাজনীতি কি কেবলই আদর্শের লড়াই, নাকি রক্ত আর উত্তরাধিকারের এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধন? বিশ্ব ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায় এমন কিছু প্রভাবশালী পরিবারের গল্প, যেখানে ক্ষমতা প্রবাহিত হয়েছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ২০২৫ এ সালের শেষভাগ থেকে দেশ জুড়ে যে অজানা শঙ্কা, গুজব ও অস্থিরতা বিরাজ করছিল, তা দূর করে একটি উৎসবমুখর ও সংঘাতহীন নির্বাচন উপহার দেওয়া
সোজা ভাষায় সবার মনে একই প্রশ্ন। তবে উত্তর সবাই আশা করে একটাইÑ একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ, ত্রুটিমুক্ত সবার গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হতেই হবে। এটা এখন আর কারও পছন্দের পর্যায়ে নেই,