সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘গুনে গুনে ঘুষ’ নেওয়ার ভিডিও প্রকাশ্যে, ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত জামায়াত কতটা গণতান্ত্রিক, আমিরকেই বিবেচনা করতে বললেন মির্জা ফখরুল শাপলা চত্বর হত্যা মামলা : ৪১ আসামির তালিকায় সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু অস্ট্রেলিয়াজুড়ে মোবাইলে বেজে উঠল নতুন জাতীয় জরুরি সতর্কবার্তা শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় হাসিনা-আজিজ-বেনজীরসহ পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ভারতের ছাত্র আন্দোলনে ককরোচ বিপ্লব সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ শেয়ার জালিয়াতির সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন-হামিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু সোমবার, যেতে পারবেন না যারা ‘ক্রসফায়ারে’ একরামুল হত্যা : হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫২ বার

বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের উৎপাদন খাতে ‘কাঠামোগত অতিরিক্ত সক্ষমতা’ এবং উৎপাদন সংক্রান্ত নীতি ও কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার। তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো—উক্ত দেশগুলোর এই নীতিগুলো অযৌক্তিক বা বৈষম্যমূলক কি না এবং তা মার্কিন বাণিজ্যের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে কি না, তা নির্ধারণ করা।

দেশটির ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের সেকশন ৩০১(বি)-এর অধীনে এ তদন্ত করা হবে। বুধবার (১১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বাণিজ্য আলোচনাকারী সংস্থা ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ-ইউএসটিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তদন্তের আওতায় থাকা দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, কোরিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, মেক্সিকো, জাপান ও ভারত।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, অন্য দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র নিজের শিল্প সক্ষমতা বিনষ্ট হতে দেবে না। অর্থাৎ এমন পরিস্থিতি তারা আর মেনে নেবে না, যেখানে অন্য দেশগুলো তাদের অতিরিক্ত উৎপাদনের চাপ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ঠেলে দেবে। তার মতে, এ তদন্ত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শিল্প খাত পুনরুজ্জীবন নীতির অংশ। এর লক্ষ্য হলো, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সরবরাহব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা এবং উৎপাদন খাতে উচ্চ বেতনের কর্মসংস্থান তৈরি করা।

গ্রিয়ার আরও বলেন, অনেক দেশের উৎপাদন সক্ষমতা তাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি। ফলে অতিরিক্ত উৎপাদিত পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি করা হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় উৎপাদন প্রতিযোগিতার মুখে ফেলে। সে দেশে নতুন বিনিয়োগ ও উৎপাদন সম্প্রসারণও বাধাগ্রস্ত হয়। এসব কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের পুনঃ শিল্পায়নের নীতি ব্যাহত হচ্ছে।

ইউএরটিআর জানায়, তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এ বিষয়ে মতামত জমা দেওয়ার জন্য ১৭ মার্চ থেকে প্রক্রিয়া শুরু হবে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে লিখিত মতামত জমা দিতে বলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কোনো বিদেশি সরকারের নীতি বা কর্মকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের জন্য অযৌক্তিক বা বৈষম্যমূলক হলে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিক্রিয়ামূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। বাণিজ্য আইনের ৩০২(খ) ধারায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দফতর ৩০১ ধারাবলে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের তদন্ত শুরু করতে পারে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ