অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯১টি বিল আকারে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। বাকি ২০টি অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারিয়েছে এবং আর আইনি ভিত্তি পাচ্ছে না। দীর্ঘ এই প্রক্রিয়ায় একদিকে যেমন বহু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার আইনগত রূপ পেল, অন্যদিকে কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে মতভেদ ও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপান্তর করতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ৯১টি বিল পাস করা হয়েছে। বাকি অধ্যাদেশগুলো অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে বিল আকারে উত্থাপনের কথা জানিয়েছে সংসদের সরকারি দল বিএনপি। তবে এতে আস্থা রাখতে পারেনি বিরোধীদলীয় জোট। অধ্যাদেশ পর্যালোচনায় গঠিত বিশেষ কমিটিতে বিল নিয়ে হওয়া সমঝোতা ও বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ তুলে ওয়াকআউট করেছে জামায়াতে ইসলামী। এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে চতুর্থবারের মতো ওয়াকআউট।
এদিকে সংবিধান অনুযায়ী অধ্যাদেশগুলো গ্রহণের শেষ দিন গতকাল শুক্রবার সকাল-বিকাল দুই সেশনে ২৪টি বিল পাস করা হয়েছে। এর আগে তিন দিনে ৬৭টি বিল পাস হয়েছে। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, চলতি অধিবেশনে ৯১টি বিল পাস হয়েছে। এগুলোর মধ্যে কয়েকটি বিলে একাধিক অধ্যাদেশ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বাকি অধ্যাদেশগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। সেই আলোচনায় বিরোধী দলসহ সংশ্লিষ্টজন অংশ নেবেন। চলতি সংসদেই অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে উত্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তিসহ ১১৩টি অধ্যাদেশকে ৮৭টি বিল পাসের মাধ্যমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ৪টি পৃথক বিল পাসের মাধ্যমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ ৭টি অধ্যাদেশকে বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া গণভোট অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশসহ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বাকি ১৩টি অধ্যাদেশ সংসদের অনুমোদন মেলেনি। ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যদেশের মধ্যে ২০টি কার্যকারিতা হারাল।
৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ বিল পাস
রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে একটি অভিন্ন একাডেমিক কাঠামোর আওতায় এনে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এই আইন প্রণয়নের মাধ্যমে রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম তদারকি করা সম্ভব হবে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। নতুন আইনে আগে প্রস্তাবিত চারটি স্কুলে
সাতটি কলেজকে ভাগ করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে বলা হয়েছে, কলেজগুলো তাদের স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রাখবে; তবে একাডেমিকভাবে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধিভুক্ত থাকবে।
কলেজগুলো হলোÑ ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল পাস, বিরোধী দলের আপত্তি
এদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে অনুমোদন করে জাতীয় সংসদ। সংশোধনী এনে সংস্কৃতিমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীকে এ জাদুঘরের পর্ষদের সভাপতি করা এবং জনস্বার্থে সরকারকে যেকোনো সময় যেকোনো সদস্যদের মনোনয়ন বাতিলের ক্ষমতা যুক্ত করা হয়েছে। অধ্যাদেশটি সংসদে হুবহু ঠিক রেখেই বিল আনা হয়েছিল। তবে এ বিলে তিনটি সংশোধনী প্রস্তাব দেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান। সংশোধনী আনার প্রস্তাব দেওয়ার পর এ বিষয়ে বিরোধী দলের সদস্যরা আপত্তি জানান। তবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার এই পর্যায়ে এসে এভাবে আপত্তি জানানোর সুযোগ নেই। বিরোধী দলের সদস্যদের আগেই সংশোধনী প্রস্তাব দেওয়া উচিত ছিল। পরে সরকারি দলের সদস্যের আনা সংশোধনী প্রস্তাব তিনটিই গ্রহণ করা হয় এবং কণ্ঠভোটে বিলটি সংসদে পাস হয়।
অধ্যাদেশে পর্ষদের সভাপতির বিষয়ে বলা ছিল, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে নিযুক্ত শিক্ষা, ইতিহাস, সাহিত্য বা সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কোনো প্রথিতযশা বিশেষজ্ঞ একজন ব্যক্তি পর্ষদের সভাপতি হবেন। এখানে সংশোধনী এনে সংস্কৃতিমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীকে পর্ষদের সভাপতি করার বিধান করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বলা ছিল, ‘পর্ষদের কোনো সদস্য যেকোনো সময় সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারবেন।’ সংশোধনী এনে বলা হয়েছে, পর্ষদের কোনো সদস্য বা সভাপতি যে কোনো সময় সরকারের উদ্দেশে পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারবেন। অথবা সরকার জনস্বার্থে যে কোনো সময় যে কোনো সদস্যের মনোনয়ন বাতিল করতে পারবে। অধ্যাদেশে বলা আছে, পর্ষদের সভাপতি মনোনয়নের তারিখ থেকে ৩ বছর পদে থাকবেন এবং অনধিক এক মেয়াদের জন্য পুনঃমনোনয়নের যোগ্য হবেন। এটা বাদ দেওয়ার জন্য সংশোধনী প্রস্তাব দেন সরকারি দলের ওই সদস্য। এটিও গৃহীত হয়।
চতুর্থবারের মতো বিরোধী দলের ওয়াকআউট
সরকারি দলের বিরুদ্ধে বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল। গতকাল সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের দিকে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দল ওয়াকআউট করে। এর আগে শফিকুর রহমান বলেন, আজকে আমরা দুঃখ নিয়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি। এর আগে বিরোধীদলীয় নেতা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতা হারানোর অভিযোগ তোলেন। বিশেষ কমিটির বৈঠকের সমঝোতার ব্যত্যয় ঘটিয়ে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল সংশোধিত আকারে পাশের প্রেক্ষাপট, গুম, দুদক, পুলিশ সংস্কার বিলসহ সংশোধিত আকারে ১৬টি বিল উত্থাপন প্রসঙ্গে নিয়ে উভয় পক্ষের দীর্ঘ বিতর্কের পরে তারা ওয়াকআউট করেন।
এর আগে জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপনের আগে বিবেচনার জন্য সর্বনিম্ন এক দিন আগে দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা ঘটছে না বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। পয়েন্ট অব অর্ডারে তিনি বলেন, ‘আমরা কার্য উপদেষ্টার দ্বিতীয় বৈঠকে অনুরোধ করেছিলাম, সবগুলো অধ্যাদেশ এখানে আসবে। এমনিতে তিন দিন আগে আমাদের বিলগুলো দেওয়ার কথা। সমস্যা-বাস্তবতা সবগুলো বিবেচনা করে বলা হয়েছিল, সর্বনিম্ন এক দিন আগে বিলগুলো দেওয়া হবে। অধিকাংশ বিল উত্থাপনের আগে সংসদ সদস্যদের টেবিলে দেওয়া হচ্ছে।
শফিকুর রহমান বলেন, যেহেতু দুর্বল ছাত্র এ জন্য কিছুই বুঝতে পারিনি। এখন ওপরে হাত তুলব, না নিচে নামাব, এটাও বুঝতে পারিনি। এখন যদি সংসদ সদস্য হিসেবে কিছু না বুঝে “হ্যাঁ” বলি, তা হবে অপরাধ। যদি না বুঝে “না”ও বলি, এটাও হবে অপরাধ। এই জন্য আমরা চুপ থেকেছি।’
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ফ্লোর নিয়ে বলেন, ‘সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটি সবকিছু নির্ধারণ করেছে। আইনগুলো পর্যালোচনার জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। সেখানে বিরোধী দলের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য, আইনমন্ত্রীসহ সবাই আলোচনা-পর্যালোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে পাস করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তার মধ্যে অর্থবিলটাও ছিল।’
বিল পাসের জন্য বিরোধী দল সহযোগিতা করেছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা “হ্যাঁ”ও বুঝে দিয়েছেন, “না”ও বুঝে দিয়েছেন। অপরিসীম সহযোগিতার জন্য সরকারি দলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।
বিরোধিতার মুখে সংসদে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল’ পাস
কোটি কোটি আমানতকারীর সুরক্ষা এবং ব্যাংক খাতে বিশৃঙ্খলা ঠেকানোর লক্ষ্যে বহুল আলোচিত ‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। গতকাল বিরোধী দলের আপত্তি ও জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব নাকচ করে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে বিলটির ওপর বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সদস্য সাইফুল ইসলাম মিলন জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দিয়ে এর কঠোর সমালোচনা করেন। বিলের বিরোধিতা করে সাইফুল ইসলাম মিলন বলেন, আমানতকারীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। এই বিলের মাধ্যমে কোটি মানুষের আমানতের সুরক্ষাকে ধ্বংস করা হচ্ছে। অতীতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে ব্যাংক বাঁচানো হয়েছে, যা ছিল সাধারণ করদাতার টাকা। এই অধ্যাদেশ বা বিলটি বাতিল হলে লুণ্ঠনকারীরা আইনি ফাঁক দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।
জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা এবং গুড গভর্ন্যান্সÑ এই তিনটিই বিএনপির মূলনীতি। আমরা আমানতকারীদের সুরক্ষা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে বাস্তবতা বুঝতে হবে। ইতোমধ্যে সরকার ব্যাংক খাতে ৮০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে, আরও প্রায় এক লাখ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। সাধারণ সময়ে কোনো সরকারের পক্ষে এত বিশাল পরিমাণ অর্থ বহন করা সম্ভব নয়। এই বিলের মাধ্যমে একটি ‘নিউ উইন্ডো’ বা নতুন সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। এটি একটি অল্টারনেটিভ অপশন। এর ফলে শুধু লিকুইডেশনের ওপর নির্ভর না করে বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে মূলধন পুনর্গঠনের সুযোগ থাকবে। এতে আমানতকারীদের আস্থা বাড়বে এবং ক্ষুদ্র শেয়ারহোল্ডাররা সুরক্ষা পাবেন।
শুক্রবার পাস হওয়া বিলগুলো
‘নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল,২০২৬; বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল,২০২৬; ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল,২০২৬; ‘কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল,২০২৬; ‘রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল,২০২৬; বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) বিল,২০২৬; বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন বিল,২০২৬; ‘বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিল,২০২৬; ‘আমানত সুরক্ষা বিল,২০২৬; ‘এক্সাইজেস এন্ড সল্ট বিল,২০২৬; মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) বিল,২০২৬; ‘গ্রামীণ ব্যাংক (সংশোধন) বিল,২০২৬; বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধন) বিল,২০২৬; অর্থ ২০২৫-২০২৬ অর্থবছর বিল,২০২৬; ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বিল,২০২৬, বিশ্ববিদ্যালয়সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) বিল,২০২৬; ‘জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা বিল,২০২৬ ও ‘সাইবার সুরক্ষা বিল,২০২৬’ ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল,২০২৬, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিল,২০২৬, ‘মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল,২০২৬, ‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল,২০২৬, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল,২০২৬ এবং ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল,২০২৬। বিলগুলো পাসের পর সংসদের অধিবেশন আগামী বুধবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ অপরিবর্তিতভাবে এবং ১৫টি সংশোধনসহ পাসের সুপারিশ করে। বাকি ২০টির মধ্যে ৪টি বাতিল এবং ১৬টি আরও শক্তিশালী করে নতুন বিল আকারে আনার সুপারিশ করা হয়েছিল।
সংবিধান অনুয়ায়ী, সংসদ অধিবেশন বসার ত্রিশ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশ পাস করার বিধান রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে পাস করা না হলে অধ্যাদেশগুলো বাতিল হয়ে যায়।