শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পুলিশের ছয় শীর্ষ পদে রদবদল, এসবি প্রধান হলেন কামরুল আহসান ইউপি নির্বাচন : পাঁচ ধাপে ভোট চায় বিএনপি বিডিআর হত্যার ৪ প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে সিমেন্টের বস্তায় বেঁধে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান সংসদের তিন অধিবেশনে খরচ ৭০৩ কোটি টাকা ভালো অর্জনকে স্বীকৃতি দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্টের ২৫ বছরের কারাদণ্ড মানুষ যে ধরনের আইন চায়, সে ধরনের আইনই আনবে সরকার: আইনমন্ত্রী ‘ভারতে পলাতক ফ্যাসিবাদী ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতার চেষ্টা করতে না পারে’ নির্বাচনী এজেন্টের ব্যাংক হিসাব দাখিল বাধ্যতামূলক করল ইসি মেসির ১০০তম গোলে চ্যাম্পিয়ন মায়ামি

হারিয়ে যাচ্ছে জলাশয়ের পরিচিত পাখি পানকৌড়ি

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৭৪ বার

জলের সঙ্গে যার গভীর মিতালি, সেই পাখির নাম পানকৌড়ি। যেখানে জল, সেখানেই এই পাখির অবাধ বিচরণ। নদী, নালা, খাল-বিল কিংবা হাওর-বাওর- সব ধরনের জলাশয়েই দেখা মেলে পানকৌড়ি পাখির।

পানকৌড়ি দীর্ঘ সময় জলে কাটাতে ভালোবাসে। এরা নীরবে পানিতে ডুব দেয় এবং কিছুক্ষণ পর আবার ভেসে ওঠে। দক্ষ ডুবুরির মতো পানির গভীরে নেমে ছোট ছোট মাছ শিকার করে। মাছই এদের প্রধান খাদ্য। জলকেলি করাও এ পাখির প্রিয় অভ্যাস। কখনো জলের ওপর ভেসে থাকে, আবার কখনো ডানা মেলে রোদ পোহায়। দিনের একটি সময় জলের ধারে গাছের ডালে বসে সূর্যের উষ্ণতায় ভেজা শরীর শুকিয়ে নেয়।

পাখি পরিচিতি সূত্রে জানা যায়, পানকৌড়ির বৈজ্ঞানিক নাম Phalacrocoracidae। ইংরেজি নাম ‘Cormorant and Shag’। পৃথিবীজুড়ে প্রায় ৪০ প্রজাতির পানকৌড়ি রয়েছে। এদের শরীর সাধারণত কালচে বা গাঢ় বাদামি রঙের, দূর থেকে অনেকটা কালো বলেই মনে হয়।

দলবদ্ধভাবে বড় বড় গাছে বাসা বাঁধে পানকৌড়ি। বর্ষা ও শরৎকাল এদের প্রজনন মৌসুম। সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর (আষাঢ়-কার্তিক) মাসে ডিম পাড়ে। তিন থেকে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যেই ডিম ফুটে ছানা বের হয়। এক সময় জলাশয়ের পাশে অহরহ দেখা মিলত পানকৌড়ির। তবে এখন সেই দৃশ্য অনেকটাই বিরল হয়ে গেছে। এ কারণে বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে পানকৌড়িকে সংরক্ষিত পাখি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

পানকৌড়ির সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন-এর গবেষণা কর্মকর্তা শিহাব খালেদীন বলেন, পানকৌড়িসহ অন্যান্য জলচর পাখির সংখ্যা হ্রাসের প্রধান কারণ হলো জলাভূমির অবক্ষয়, বাসা বাঁধার গাছ নিধন, মানুষের নির্যাতন, মৎস্যসম্পদ হ্রাস, দূষণ এবং কলোনি বা উপনিবেশস্থলে বিশৃঙ্খলা। কার্যকর সংরক্ষণের জন্য এসব সমস্যার সমাধান জরুরি।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় পানকৌড়িসহ সব ধরনের পাখি সংরক্ষণ করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ