শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভক্ত থেকে বিশ্বজয়ী সতীর্থ: মেসির বিদায়ে আলভারেজের আবেগঘন চিঠি ‘লিফট চালু থাকলেও ছয় তলায় সিঁড়ি দিয়ে উঠানো হয়েছে’ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ট্রাম্পের সোনালি মূর্তি ‘অরেঞ্জ প্লেগ’ সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে নতুন কমিটি ভূমিকা রাখবে: রিজভী মানি চেঞ্জারে ডলার বিক্রির সীমা বেড়ে ৩ হাজার ডলার প্রত্যেক উপজেলায় সরকারের জরুরি নির্দেশনা আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জাল কাগজপত্রে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যাদেশ রাতে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ দিল্লিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে নতুন মামলা

হারিয়ে যাচ্ছে জলাশয়ের পরিচিত পাখি পানকৌড়ি

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৯৯ বার

জলের সঙ্গে যার গভীর মিতালি, সেই পাখির নাম পানকৌড়ি। যেখানে জল, সেখানেই এই পাখির অবাধ বিচরণ। নদী, নালা, খাল-বিল কিংবা হাওর-বাওর- সব ধরনের জলাশয়েই দেখা মেলে পানকৌড়ি পাখির।

পানকৌড়ি দীর্ঘ সময় জলে কাটাতে ভালোবাসে। এরা নীরবে পানিতে ডুব দেয় এবং কিছুক্ষণ পর আবার ভেসে ওঠে। দক্ষ ডুবুরির মতো পানির গভীরে নেমে ছোট ছোট মাছ শিকার করে। মাছই এদের প্রধান খাদ্য। জলকেলি করাও এ পাখির প্রিয় অভ্যাস। কখনো জলের ওপর ভেসে থাকে, আবার কখনো ডানা মেলে রোদ পোহায়। দিনের একটি সময় জলের ধারে গাছের ডালে বসে সূর্যের উষ্ণতায় ভেজা শরীর শুকিয়ে নেয়।

পাখি পরিচিতি সূত্রে জানা যায়, পানকৌড়ির বৈজ্ঞানিক নাম Phalacrocoracidae। ইংরেজি নাম ‘Cormorant and Shag’। পৃথিবীজুড়ে প্রায় ৪০ প্রজাতির পানকৌড়ি রয়েছে। এদের শরীর সাধারণত কালচে বা গাঢ় বাদামি রঙের, দূর থেকে অনেকটা কালো বলেই মনে হয়।

দলবদ্ধভাবে বড় বড় গাছে বাসা বাঁধে পানকৌড়ি। বর্ষা ও শরৎকাল এদের প্রজনন মৌসুম। সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর (আষাঢ়-কার্তিক) মাসে ডিম পাড়ে। তিন থেকে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যেই ডিম ফুটে ছানা বের হয়। এক সময় জলাশয়ের পাশে অহরহ দেখা মিলত পানকৌড়ির। তবে এখন সেই দৃশ্য অনেকটাই বিরল হয়ে গেছে। এ কারণে বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে পানকৌড়িকে সংরক্ষিত পাখি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

পানকৌড়ির সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন-এর গবেষণা কর্মকর্তা শিহাব খালেদীন বলেন, পানকৌড়িসহ অন্যান্য জলচর পাখির সংখ্যা হ্রাসের প্রধান কারণ হলো জলাভূমির অবক্ষয়, বাসা বাঁধার গাছ নিধন, মানুষের নির্যাতন, মৎস্যসম্পদ হ্রাস, দূষণ এবং কলোনি বা উপনিবেশস্থলে বিশৃঙ্খলা। কার্যকর সংরক্ষণের জন্য এসব সমস্যার সমাধান জরুরি।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় পানকৌড়িসহ সব ধরনের পাখি সংরক্ষণ করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ