শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬১৬ ২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

নিজ দলের ভেতরেই চাপের মুখে ট্রাম্প

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ৯৪ বার

নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেই ক্রমবর্ধমান বিরোধিতার মুখে পড়ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘদিন তার অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে অনীহা দেখানো কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্যদের একটি অংশ এখন বিভিন্ন ইস্যুতে ভিন্নমত প্রকাশ করছে।

গত এক সপ্তাহে একাধিক রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ট্রাম্পের ইরাননীতি, হোয়াইট হাউসের বলরুম নির্মাণে এক বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ এবং এক দশমিক আট বিলিয়ন ডলারের ‘অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন’ তহবিলের বিরোধিতা করেছেন। এছাড়া প্রতিনিধি পরিষদ ইউক্রেনকে সহায়তা ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি বিলও পাস করেছে, যা ট্রাম্পের অবস্থানের বিপরীত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যদিও ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের অনেকেই মনে করেন না যে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বড় ধরনের বিদ্রোহ শুরু হয়েছে, তবু মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় রিপাবলিকানদের একটি অংশ ভোটারদের মনোভাবকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীন অবস্থান নিচ্ছেন বলে মনে করা হচ্ছে। গত বছর ট্রাম্পের ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’-এর বিরোধিতা করে অবসরের ঘোষণা দেওয়া রিপাবলিকান সিনেটর থম টিলিস বলেন, ‘নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, আইনপ্রণেতারা তত বেশি তাদের ভোটারদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টা করবেন।’ অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান মনে করেন, ট্রাম্পের দলীয় নিয়ন্ত্রণ এখনও শক্তিশালী। তিনি বলেন, ‘যারা ট্রাম্পের বিরোধিতা করছেন, তাদের অনেককেই তিনি আগেই রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করেছেন। এটিই আসলে দলের ওপর তার নিয়ন্ত্রণের প্রমাণ।’
হোয়াইট হাউস অবশ্য এ পরিস্থিতিকে ‘নির্বাচনী বছরের রাজনীতি’ হিসেবে দেখছে। মুখপাত্র অ্যাবিগেইল জ্যাকসনের দাবি, ট্রাম্পের এজেন্ডা বাস্তবায়নে রিপাবলিকানদের সঙ্গে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

এদিকে রিপাবলিকানদের মধ্যে অসন্তোষের আরেক কারণ হিসেবে সিনেটর বিল ক্যাসিডি ও জন কর্নিনের পুনর্নির্বাচনের বিরোধিতাকে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক পদে বিল পুল্টের অন্তর্বর্তী নিয়োগ নিয়েও দলের ভেতরে প্রশ্ন উঠেছে। সিনেটের সাবেক রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেল ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকলে তিনি পুল্টের স্থায়ী নিয়োগকে সমর্থন করবেন না।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ