বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামীকাল কুড়িগ্রাম যাচ্ছেন এনসিপির ৩ নেতা ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৩ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সবসময় থাকার প্রতিশ্রুতি ডা. জুবাইদা রহমানের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে যোগ দিলেন রাশেদ খাঁন দিল্লিমুখী হাজারো কৃষক, নতুন চাপে মোদি সরকার ভিডিও ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন জামায়াত এমপির ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন স্বাভাবিক-তথ্য উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বার্থা’ সরকারের ঋণ বেড়েছে ২৩ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় নিহত ২০, নিখোঁজ শতাধিক

আবারও কী যুদ্ধের পথে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র?

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ৫৪ বার

যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার মাঝেই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্য। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, দক্ষিণ ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলায় লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের কয়েকটি নৌযান। হরমুজ প্রণালিতে মাইন পেতে রাখার অভিযোগ তুলে ওয়াশিংটন এ অভিযানের পক্ষে ‘আত্মরক্ষার’ যুক্তি দিয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি-ইরানও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। এতে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, দুই দেশের মধ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা কি আবারও বাড়ছে?

ইরানের বন্দর আব্বাস এলাকায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সোমবার রাতে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের কয়েকটি বোটে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি বিমান হামলার মাধ্যমে দক্ষিণ ইরানের একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়। অভিযানের দায় স্বীকার করে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মাইন পেতে রাখার প্রস্তুতির অভিযোগের ভিত্তিতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এমনকি প্রস্তাবিত শান্তি চুক্তির খসড়াতেও বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩০ দিনের মধ্যে সব মাইন সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী দাবি করে, হরমুজ এলাকায় ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস আবারও মাইন স্থাপনের চেষ্টা করছিল। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পরই বিমান হামলা শুরু হয়।

এদিকে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার অভিযোগও উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বিমান হামলার সময় দক্ষিণ ইরানের কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি থেকে মার্কিন যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হচ্ছিল। এর জবাবে সারফেস-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ওই স্থাপনাগুলো ধ্বংস করা হয়। হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের এক শীর্ষ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে জানান, ইরানের দুটি বোট এবং কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।

ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র টিম হকিন্স বলেন, হরমুজ প্রণালিতে মাইন পেতে রাখার চেষ্টা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থেই এ সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ