সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জানাল পিবিআই , মাকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করায় চার ভাই মিলে রুবেলকে হত্যা করেন বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ অর্ধেকে নামিয়েছে কাতারএনার্জি প্রধানমন্ত্রীর নজরদারির সুফল, দুই দিনের বর্ষণেও জলাবদ্ধতা নেই চট্টগ্রামে এনসিপির পদযাত্রা স্থগিত জামায়াত-শিবির পরিচয়ে ডিএসসিসির মার্কেট দখল করে চাঁদাবাজির অভিযোগ পর্তুগাল-স্পেনের খেলায় কে জিতবে, নানা সমীকরণ সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন স্কুলছাত্র নিহত হত্যাচেষ্টা-বিস্ফোরক আইনের মামলা, সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল গ্রামে লোডশেডিং কেন হচ্ছে, জানালেন বিদ্যুৎমন্ত্রী খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলি, নিহত ৩

বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ অর্ধেকে নামিয়েছে কাতারএনার্জি

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ০ বার

চলতি বছর বাংলাদেশে নির্ধারিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে কাতারের সমন্বিত জাতীয় তেল ও গ্যাস করপোরেশন ‘কাতারএনার্জি’। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।

সোমবার (০৬ জুলাই) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পেট্রোবাংলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান।

তিনি বলেন, ‘এসব সমস্যার মূল কারণ যুদ্ধ। ঘাটতি মোকাবিলায় আমরা বিকল্প উৎস খুঁজছি। স্পট মার্কেট থেকে বেশি এলএনজি কেনা যেতে পারে। অন্যান্য সরবরাহকারী দেশের সরকারের সঙ্গে চুক্তির বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সবচেয়ে সুবিধাজনক বাণিজ্যিক বিকল্পই বেছে নেওয়া হবে।’

বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদনকারী দেশ কাতার। বাংলাদেশে আমদানি হওয়া এলএনজির সবচেয়ে বড় সরবরাহকারীও দেশটি। গত বছর বাংলাদেশ প্রায় ৭০ লাখ টন এলএনজি আমদানি করে, যার মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ টনই এসেছে কাতার থেকে।

বর্তমানে কাতারএনার্জির সঙ্গে পেট্রোবাংলার দুটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি রয়েছে। এর একটি বছরে ২৫ লাখ টন এবং অন্যটি ১৮ লাখ টন এলএনজি সরবরাহের জন্য।

আবদুল মান্নান জানান, নির্ধারিত সরবরাহ কমানো হলেও কাতার কর্তৃপক্ষ যতটা সম্ভব এলএনজি সরবরাহ অব্যাহত রাখবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

এ বিষয়ে কাতারএনার্জির তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে, জ্বালানি বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেপলার জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় চলতি বছর কাতার থেকে ১৯টি এলএনজি কার্গো পেয়েছিল বাংলাদেশ।

তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কাতারের রাস লাফান রপ্তানি টার্মিনাল থেকে বাংলাদেশে আর কোনো এলএনজি কার্গো আসেনি। ফলে দেশের চাহিদা মেটাতে স্পট মার্কেট থেকে বিকল্প চালান কিনতে হচ্ছে। মার্চের পর থেকে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্পট মার্কেট থেকে ৩৫টি এলএনজি কার্গো আমদানি করেছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ সাধারণত হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এ নৌপথে বিঘ্ন সৃষ্টি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের পাশাপাশি আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জ্বালানি নিরাপত্তার ওপরও বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ