শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

দাবানলের ধোঁয়ার জন্য কানাডাকে দোষ, শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৪০ বার

কানাডার শত শত দাবানল থেকে ছড়িয়ে পড়া ঘন ধোঁয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ঢেকে গেছে। ফলে দেশটির কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে বায়ুর মান বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। কানাডার ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় দেশটিকে দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি বলেছেন, এ দূষণ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের যে বিপুল ব্যয় হচ্ছে, তা কানাডার পণ্যের ওপর বিদ্যমান শুল্কের (ট্যারিফ) সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, কানাডা তাদের বনভূমির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করছে না। ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে দূষিত, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা বাতাসের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, এটি ইচ্ছাকৃত অবহেলা। প্রতিবছর এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যার কারণে যুক্তরাষ্ট্রকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে। এই দূষণের হিসাব কানাডার ওপর আরোপিত শুল্কের সঙ্গে যোগ করা উচিত।

কানাডার শত শত দাবানলের ধোঁয়ায় গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। পরিস্থিতির কারণে বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ট্রাম্প জানান, তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে কথা বলবেন এবং এ ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার সরকারের পরিকল্পনা জানতে চাইবেন।

তবে জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্পের অভিযোগের সঙ্গে একমত নন। তাদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বনভূমি আরও শুষ্ক হয়ে পড়ছে এবং দাবানলের ঝুঁকি বাড়ছে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার থম্পসন রিভার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইক ফ্ল্যানিগান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গরম, শুষ্ক ও ঝোড়ো আবহাওয়া বাড়ছে, ফলে দাবানলও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিকে কানাডার অন্টারিও প্রদেশে চলতি বছর প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার একর বনভূমি আগুনে পুড়ে গেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি। হাজারো মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম অন্টারিওর কলিন্স ফার্স্ট নেশন সম্প্রদায়ের পুরো বসতি আগুনে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড দাবানল মোকাবিলায় ১১টি নতুন বিমান কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রেও গড়ের চেয়ে বেশি দাবানল হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩৭ লাখ একর ভূমি পুড়ে গেছে, যা গত ১০ বছরের গড়ের তুলনায় অনেক বেশি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ