শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

বাঁধ মেরামত ও নদী তীর সংরক্ষণে জোরালো ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৩ বার

বাঁধ মেরামত, নদী তীর সংরক্ষণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার জোরালো ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

তিনি জানান, জরুরি নদী তীর রক্ষা ও বাঁধ সংরক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে ৭ লাখের বেশি জিওব্যাগ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব মজুতে আরও ৬ লাখ জিওব্যাগ প্রস্তুত রয়েছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবার দেশের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ১ হাজার ৫০০টিরও বেশি জরুরি কাজের প্যাকেজ গ্রহণ করা হয়েছে। এসব প্যাকেজ স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫০০টি প্যাকেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রায় ১ হাজার প্যাকেজের কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী দিনগুলোতে আবার ভারী বৃষ্টিপাত বা নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে এসব জিওব্যাগ এবং অন্যান্য জরুরি সরঞ্জাম ব্যবহার করে দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধ ও বাঁধ রক্ষার কাজ পরিচালনা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু তাৎক্ষণিক দুর্যোগ মোকাবিলা নয়, দীর্ঘমেয়াদি টেকসই সমাধানের দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসন, নদী ব্যবস্থাপনা, বাঁধ শক্তিশালীকরণ, সুইস গেট আধুনিকায়ন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিভাগে গত এক সপ্তাহে অস্বাভাবিক মাত্রার বৃষ্টিপাতের কারণেই ভয়াবহ বন্যা ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় ২ হাজার ২০০ মিলিমিটার হলেও গত ৬ থেকে ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে শুধু চট্টগ্রাম বিভাগেই রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। এই অতিবৃষ্টির কারণেই চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, গত এক সপ্তাহে চট্টগ্রামে প্রায় ১ হাজার ৪৫৪ মিলিমিটার, বান্দরবানে ১ হাজার ১০২ মিলিমিটার এবং কক্সবাজারে ৮৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের একটি বিভাগে এত স্বল্প সময়ে এত বিপুল পরিমাণ বৃষ্টিপাত অত্যন্ত বিরল ঘটনা। ফলে পাহাড়ি ঢল, জলাবদ্ধতা এবং পরবর্তীতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, প্রতি বছরই বন্যা মৌসুম শুরুর আগে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে থাকে। তবে চলতি বছর সম্ভাব্য অতিবৃষ্টির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগের তুলনায় আরও বিস্তৃত প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আবহাওয়ার উন্নতি অব্যাহত থাকলে দেশের বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হবে। একই সঙ্গে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের সব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রাখবে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ