ক্ষুব্ধ নীলম নিজের এক্সে লিখেছেন, টরন্টো থেকে মুম্বাই যাওয়ার ফ্লাইট শুধু ৯ ঘণ্টা দেরি করল তা-ই নয়, মাঝ-আকাশে আমি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং খাবার দেওয়ার পরই জ্ঞান হারাই। একজন যাত্রী আমাকে আমার আসনে ফিরতে সাহায্য করলেও, কারো পক্ষ থেকে কোনো ধরনের খোঁজখবর নেওয়া হয়নি।
এরপর লেখেন, ঘটনার পর আমি কাস্টমার কেয়ারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাইনি। এমন আচরণ একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।