ফলে পানির স্তর কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। নদীর তলদেশের সঙ্গে পেছনের অংশ আটকে যাওয়ায় সামনের দিক ভেসে থাকে কিছুক্ষণ, পরে সেটিও ডুবে যায়।দুর্ঘটনার সময় লঞ্চে কোনো যাত্রী বা কর্মী না থাকায় হতাহতের ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে লঞ্চের ভেতর রাখা মুসল্লিদের কিছু সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কে এম শরীয়াতুল্লাহ বলেন, ‘লঞ্চটি যাত্রী নামানোর পর খালি অবস্থায় ছিল।