মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন

শেখ পরিবারের নাম পরিবর্তন ইস্যুতে সিনেটে ওয়াকআউট ডাকসুর

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ৫ বার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ পরিবারের নামে থাকা ৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত না হওয়ায় সিনেট অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর ৫ সিনেট সদস্য। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক বি এম ওবায়দুল ইসলাম তাদেরকে ওয়াক আউট না করার অনুরোধ জানান।

সোমবার (২৯ জুন) রাত সোয়া ১০টার দিকে সিনেট অধিবেশন চলাকালে ওয়াক আউট করেন ডাকসু ভিপি সাদেক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, এজিএস মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ ও সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না।

ডাকসু ও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে গত ৮ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ সিন্ডিকেটের সভায় শেখ পরিবারের নামে থাকা ৫টি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়টি সিনেটে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। স্থাপনাগুলো হলো: শেখ মুজিবুর রহমান হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, শেখ রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার এবং ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির শহীদ অ্যাথলেট সুলতানা কামাল হোস্টেল।

সিনেট অধিবেশনে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিষয়টি অ্যাজেন্ডা হিসেবে উত্থাপন করেন উপাচার্য অধ্যাপক বি এম ওবায়দুল ইসলাম। পরে সিনেট সদস্যরা বিভিন্ন বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এ সময় সিনেট সদস্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বিষয়টিকে যথাযথ প্রক্রিয়া বজায় রেখে পুনরায় সিন্ডিকেটে তোলার দাবি জানান। অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা নাম পরিবর্তনের ব্যাপারে আপত্তি জানান।

এ সময় ডাকসু সিনেট প্রতিনিধিরা জানান, শেখ পরিবারের নামে থাকা স্থাপনার কারণে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। শেখ মুজিবুর রহমান নামের হলের ব্যানার নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে তারা হেনস্তার শিকার হয়েছেন। হলের বিভিন্ন ক্লাব পরিচালনায় স্পনসরও পাচ্ছে না। শিক্ষকরাও একই সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

ডাকসু ভিপি সাদেক কায়েম বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর শেখ পরিবারের ৮ শতাধিক প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার। সুতরাং নাম পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত রয়েছে। বীরশ্রেষ্ঠসহ অন্যান্য নাম বিবেচনায় আসতে পারে।

অধিবেশনে সিনেট সদস্য ও গাজীপুর-৫ আসনের সাংসদ ফজলুল হক মিলন শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তনের জন্য জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে নামকরণের দাবি জানান। সর্বশেষ আলোচ্য বিষয়টিকে পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর নির্দেশ দেন উপাচার্য অধ্যাপক বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ