শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার চার্জশিটে উঠে এলো যেসব চাঞ্চল্যকর তথ্য

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৮০ বার

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার জন্য রুম থেকে ছুরি এনে তার মাথা কেটে গলা থেকে আলাদা করা হয়। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শোবার ঘরে এনে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে। ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে বিচ্ছিন্ন মাথা রাখে। রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আদালতে দাখিল করা চার্জশিট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

রবিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক মো. ওহিদুজ্জামান। এরপর মামলাটি ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য বদলী করা হয়েছে। চার্জশিটে প্রধান আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

চার্জশিট সূত্রে জানা গেছে, স্বপ্না খাতুন আসামি সোহেলে দ্বিতীয় স্ত্রী। পরকীয়ার প্রেম থেকে স্বপ্নার সাথে বিয়ে হয় সোহেলের। প্রথম সংসারে সোহেলের একটি মেয়ে রয়েছে।

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, প্রায় আড়াই মাস আগে অটোরিকশা মেকানিক সোহেল পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি-ব্লকের ২ নম্বর লেনের ওই বাসা ভাড়া নেয়। সোহেলদের ফ্ল্যাটটি ছিল ৩ রুমের। এক রুমে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্না থাকতো। তাদের রুমের সঙ্গে একটি অ্যাটাস্ট বাথরুম ছিল। আর পাশের দুই রুমে থাকতো মাসুদ পারভেজ এবং জেসমিন আক্তার নামে এক দম্পতি। আলাদা রুম হলেও সোহেল ও মাসুদদের কিচেন রুম একই ছিল।

চার্জশিটে আরও বলা হয়, মাসুদ পারভেজ এবং জেসমিন আক্তার প্রতিদিন সকাল ৬টার মধ্যে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। ঘটনার দিন (১৯ মে) তারা বাসা থেকে বেরিয়ে যান। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে সোহেল রামিসাকে তার রুমের সামনে আসতে বলে। রুমের সামনে গেলে তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে বাথরুমে ধর্ষণ করে সোহেল।

এসময় রামিসা চিৎকার করলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার জন্য রুম থেকে ছুরি এনে তার মাথা কেটে গলা থেকে আলাদা করা হয়। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শোবার ঘরে এনে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে। ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে বিচ্ছিন্ন মাথা রাখে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, রামিসাকে খুঁজে পাচ্ছিল না পরিবার। সোহেলদের বাসার সামনে রামিসার একটি জুতা দেখতে পেয়ে তার মা দরজায় জোরে ডাক চিৎকার করতে থাকেন। অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন জড়ো করে দরজা ভাঙার চেষ্টা করেন। এসময় সোহেল বাথরুম থেকে রামিসার দেহ রুমে নিয়ে যায়। স্বপ্না লাশ দেখে এবং দরজা ভাঙার শব্দ শুনে ছিটকিনি লাগিয়ে দেয়। পরে লোকজন রুমে ঢুকে রামিসার লাশ দেখতে পেয়ে সোহেলের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বপ্না জানায়, গ্রিল কেটে পালিয়ে গেছে সোহেল।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ