১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাংলাদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং ঢাকার প্রধান বিমানবন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাড়তি অপারেশনাল ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এয়ারলাইন সূত্র জানায়, তারেক রহমান লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে ঢাকায় আসছেন বিমানের ফ্লাইট BG-202–এ। ফ্লাইটটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে (ঢাকা সময় রাত ১২টা ১৫ মিনিট) যাত্রা করবে।
এদিকে, ঢাকার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত যাত্রী ব্যতীত দর্শনার্থী ও স্বজনদের টার্মিনালে প্রবেশে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
সম্ভাব্য রাস্তার যানজট বিবেচনায় বিমান ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ২৫ ডিসেম্বর ভ্রমণকারী দেশি-বিদেশি যাত্রীদের আগেভাগে বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পরামর্শ দিয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানবন্দর এলাকা, এয়ারপোর্ট রোড, গুলশান সংযোগ সড়ক এবং পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়েতে জনসমাগম বাড়তে পারে, যা সড়ক চলাচলে প্রভাব ফেলতে পারে।
এভিয়েশন সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যস্ত সকালের অ্যারাইভাল ব্যাংকের সঙ্গে এই ফ্লাইটের আগমন মিলিত হওয়ায় এয়ার ট্রাফিক সার্ভিস, অ্যাপ্রন ব্যবস্থাপনা, টার্মিনাল অপারেশন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে তাৎক্ষণিক সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাপ্রন নিরাপত্তা, যাত্রী প্রক্রিয়াকরণ এবং নিয়মিত ফ্লাইট চলাচল বজায় রাখাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, অবতরণের পর তারেক রহমান সড়কপথে পূর্বাচলে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং পরে গুলশানের দিকে যাবেন। যদিও পরবর্তী যাতায়াত বিমানবন্দরের অপারেশনাল আওতার বাইরে, তবুও অন্যান্য এয়ারলাইনের ফ্লাইটে বিঘ্ন না ঘটাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
এভিয়েশন শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, ফ্লাইট BG-202–এর এই পরিচালনা ঢাকার বিমানবন্দরের সক্ষমতা ও প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হবে, যেখানে উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তির আগমন সত্ত্বেও নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট নির্বিঘ্ন রাখা বড় চ্যালেঞ্জ।