নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান মিলেছে। ৪৫ দিন খনন ও ১৫ দিন ডিএসটি টেস্ট শেষে জানা যাবে মজুদকৃত গ্যাসের পরিমাণ। তবে কূপটি সফলভাবে খনন ও ডিএসটি পরীক্ষা সম্পন্ন হলে প্রতিদিন এখান থেকে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) এই নতুন কূপটির খননকাজ শুরু করে। আজ বুধবার সকাল থেকে পুরোদমে চলছে খননের কাজ। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্প’।
বাপেক্স সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে কূপটি মাটির নিচে ১ হাজার ৫৫০ মিটার খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান জানান, ৪৫ দিনের মধ্যে খননকাজ ও ১৫ দিনের ডিএসটি টেস্ট শেষে এখানে মজুদ করা গ্যাসের পরিমাণ জানা যাবে। গতকাল মঙ্গলবার খননকাজ শুরু হয়েছে এবং এটি একনাগাড়ে চলবে। ১ হাজার ৫৫০ মিটার খননের জন্য প্রাথমিকভাবে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন সোহেল বলেন, ‘গ্যাসপ্রাপ্তির খবরে আমরা আনন্দিত। আমরা চাই গ্যাস জাতীয় সম্পদ জাতীয় গ্রীডের পাশাপাশি এটি সেনবাগ এবং নোয়াখালীর জনগণের মাঝে যাতে দেওয়া হয়। সেজন্য মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাপেক্স কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চাই।’