সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের রাজধানী বনানী থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন আরিফুর রহমান এই আদেশ দিয়েছেন।
এদিন আসামি খায়রুল হককে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াই তাকে ভার্চুয়ালি কারাগার থেকে সংযুক্ত করে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে গত ২ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই সাইফুল ইসলাম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
গত বছরের ২৪ জুলাই বিচারপতি খায়রুল হককে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর পর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
উচ্চ আদালত থেকে জামিনের পর খায়রুল হক কারামুক্ত হচ্ছেন মর্মে কয়েকবার জানান তার আইনজীবীরা। তবে নতুন নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন থাকায় তিনি কারামুক্ত হতে পারছেন না।
পৃথক সাত মামলায় জামিনের পর গত ২৩ মে যাত্রাবাড়ী থানার একটি মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট খোবাইব নামের একজনকে হত্যার অভিযোগে যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলাটি করেন নিহত ব্যক্তির ভাই জোবায়ের আহম্মেদ।
ওই মামলায় অধস্তন আদালতে বিফল হয়ে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন খায়রুল হক। শুনানি নিয়ে গত ৩০ জুন হাইকোর্ট রুল দিয়ে খায়রুল হককে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এই মামলায় জামিন আদেশের পর তার কারামুক্তিতে বাধা নেই এমন খবর প্রকাশের পর নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের খবর এলো।
গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের মামলার বিবরণ থেকে জানা যায় , জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৪ অগাস্ট দুপুরে মহাখালী সেতু ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা আন্দোলন করছিলেন। তারা সেখান থেকে শাহবাগ যাওয়ার পথে তাদের ওপর হামলা, গুলিবর্ষণ, ককটেল, হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে উজ্জল মিয়াসহ ২৫/৩০ জন আহত হন। এ ঘটনায় উজ্জল মিয়া বনানী থানায় হত্যাচেষ্টাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেন।