আমাদের দৈনন্দিন জীবনে হাতের ব্যবহার অপরিসীম, কিন্তু কখনও কি খেয়াল করেছেন- হাতের কোনো আঙুল ভাঁজ করতে গেলে তা আটকে যাচ্ছে বা সোজা করার সময় ‘ক্লিক’ শব্দের সঙ্গে তীব্র ব্যথা অনুভূত
আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় মস্তিষ্ক সচল থাকতে পুরোপুরি গ্লুকোজের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু মস্তিষ্ক নিজে গ্লুকোজ তৈরি বা জমা রাখতে পারে না। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ কমে গেলে
লিভার সুস্থ রাখতে জরুরি সঠিক জীবনযাপন। মাত্র চারটি অভ্যাস নিয়মিত মেনে চললেই লিভারের বেশ কিছু সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়। ♦ সুষম খাদ্য গ্রহণ : নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেলে লিভার সুস্থ থাকে। লিভারের
হাইপারহাইড্রোসিস হলো এমন এক সমস্যা, যেখানে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ঘাম হয়। এই ঘাম সব সময় গরম বা ব্যায়ামের কারণে হয় না। এই সমস্যায় এত বেশি ঘাম হতে পারে যে
সকালে ঘুম থেকে উঠেই অফিসে যাওয়ার তাড়া থাকে। অনেক সময় ঘুম থেকে উঠতে দেরি হলে অফিসে যেতেও দেরি হয়। এরপর যদি নাস্তা খেতে গেলে আরও দেরি। পরে কিছু না খেয়েই
যেকোনো ধরনের মিষ্টান্ন যেমন পায়েস-ফিরনিতে খোসা ছাড়ানো কয়েক টুকরো পেস্তা দিলেই খাবারের কদর বেড়ে যায়। তবে শুধু তো খাবারের স্বাদ নয়, পেস্তা খাওয়া শরীরের জন্যও ভালো। অন্যান্য বাদামের চেয়ে দাম
সুস্থ থাকার প্রধান শর্ত হলো গভীর ও পর্যাপ্ত ঘুম। কিন্তু অনেকেরই মাঝরাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায়। চিকিৎসকদের মতে, এটি সাধারণ কোনো অভ্যাস হতে পারে, আবার বড় কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণও
বর্তমান ব্যস্ত জীবনে ঠিকমতো ঘুম না হওয়া এখন অনেকেরই সাধারণ সমস্যা। কাজের চাপ, মানসিক উদ্বেগ, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম—সব মিলিয়ে ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরকে শান্ত
ব্যস্ত জীবনের মাঝে অনেকের জন্যই প্রতিদিন বাজারে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সমাধান হিসেবে আমরা বেছে নিই সপ্তাহের বাজার একসঙ্গে সেরে ফেলা। রান্নাঘরের ঝুড়িতে বা ফ্রিজের ড্রয়ারে আমরা অনেক
ঈদুল ফিতর মানেই আনন্দ। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানো আর নানারকম সুস্বাদু খাবারের আয়োজনে খাবার টেবিল হয়ে ওঠে উৎসবের কেন্দ্র। তবে যারা ঈদ ও ঈদ-পরবর্তী দিনগুলোতেও খাবারের বিষয় একটু সচেতন থাকতে