মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে বারুদের ধোঁয়া ক্রমশ গাঢ় হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক চরম আলটিমেটামে ইরানযুদ্ধ এখন এক ভয়ংকর ও বিপজ্জনক মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে হরমুজ প্রণালি
২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেন, তখন এর লক্ষ্য ছিল সুনির্দিষ্ট : ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস, নৌবাহিনী গুঁড়িয়ে দেওয়া ও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি
কাগজের নৌকার মতো তলিয়ে গেল ‘অজেয়’ মার্কিন অহংকার। গত পাঁচ সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দাবি করে আসছিল, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ কেবলই তাদের। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুক ফুলিয়ে বলেছিলেন, ইরানের
ইরানে প্রবেশ করে অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্স। দেশটির আকাশসীমায় একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারে অভিযান চালাতে দেশটিতে প্রবেশ করেছে তারা। শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) রাতে
জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার বক্তব্য শেষ হতেই ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদেনে বলা হয়েছে,
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার উপদেষ্টাদের বলেছেন, তিনি এই দীর্ঘ যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান না। এতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলেও। তবে তার এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলো।
ইরানে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে হোয়াইট হাউসের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে জড়ো হচ্ছেন মার্কিন সেনারা। আলোচনা ব্যর্থ হলে ট্রাম্প একটি চূড়ান্ত সামরিক আঘাত হানার পরিকল্পনা করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এশিয়া থেকে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৮০ লাখ মানুষ। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার দেশের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় সাধারণ মানুষ নামেন এবং
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিক্ষোভ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধ শুরুর ঠিক এক মাসের মাথায় সারা যুক্তরাষ্ট্রে রাস্তায় নামলেন বিক্ষোভকারীরা। শনিবারের (২৮ মার্চ) এই মিছিল ছিল
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ইরানের পাল্টা কৌশল ও প্রতিরোধের কারণে ক্রমেই চাপের মুখে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। যুদ্ধক্ষেত্রে উত্তেজনা অব্যাহত থাকা, জ¦ালানি বাজারে অস্থিরতা এবং কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পরিস্থিতি