চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আরও প্রায় ৫ হাজার মেরিন সেনা ও নৌসেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, অঞ্চলে চলমান সামরিক তৎপরতা জোরদার
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থেকে কীভাবে ও কখন ‘বিজয়’ ঘোষণা করে সসম্মানে বেরিয়ে আসা যায়, তা নিয়ে হোয়াইট হাউসের ভেতরে তীব্র রেষারেষি চলছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা এখন নীতিগতভাবে বিভক্ত।
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে নিহত সপ্তম মার্কিন সেনার পরিচয় প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। নিহত সেনার নাম বেনজামিন এন পেনিংটন (২৬)। পেন্টাগন জানিয়েছে, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে
যুক্তরাষ্ট্র ইরানে এরই মধ্যে ‘অনেকভাবে জয়ী হয়েছে’, কিন্তু তা ‘যথেষ্ট নয়’ বলে মনে করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে খুব শিগগিরই ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ওয়াশিংটনের সমর্থন ছাড়া ওই নেতা বেশি দিন টিকতে পারবেন না।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনের প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে
মার্কিন কংগ্রেসের পর্যালোচনা এড়াতে বিশেষ জরুরি ক্ষমতা প্রয়োগ করে ইসরায়েলের কাছে ১৫ কোটি ১৮ লাখ ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আজ শনিবার (৭মার্চ) ইসরায়েলের কাছে
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক হামলাকে কেন্দ্র করে খোদ মার্কিন জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে চালানো ওই হামলায় শত শত বেসামরিক নাগরিক ও
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত আজ বুধবার (৪ মার্চ) চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর সতর্ক করে জানিয়েছে,
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস এ সপ্তাহে দ্বিদলীয় যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি করতে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে সামরিক অভিযান সীমিত করার লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ও