মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘২ দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধ করতে ইরান যদি আলোচনা করতে চায়, তবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।’ রোববার (২৬ এপ্রিল) ফক্স নিউজের ‘দ্য
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরিকল্পিত সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখবে। গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ নীতির প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভে ৬০ জনেরও বেশি সাবেক মার্কিন সেনা সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যকে আটক করা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য
ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত দেশটির বন্দরগুলোর ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ তুলে নেবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, এক সপ্তাহ
মার্কিন নৌবাহিনী উপসাগরে একটি ইরানের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ আটক করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘তৌসকা’ নামের জাহাজটিকে থামার নির্দেশ দিলে
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস বলেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কারণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ডেট্রয়েটে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির একটি তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে তিনি এসব
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে আগামী বুধবারের মধ্যে কোনো দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী চুক্তি না হলে যুদ্ধবিরতি শেষ করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, আগামী বুধবারের মধ্যে সমঝোতা
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র তার আপত্তির বিষয়গুলাে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে, কিন্তু মার্কিন শর্ত মানতে রাজি হয়নি ইরান। এর ফলে কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই
ইরানের সহায়তা থাকুক বা না থাকুক, হরমুজ প্রণালী ‘খুব শিগগিরই’ খুলে দেওয়া হবে, এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আসন্ন শান্তি আলোচনার আগে শুক্রবার
ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘আসল চুক্তি’ পুরোপুরি মেনে না চলা পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী তাদের অবস্থানে অনড় থাকবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি কোনো কারণে