মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আগামীকাল কুড়িগ্রাম যাচ্ছেন এনসিপির ৩ নেতা ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৩ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সবসময় থাকার প্রতিশ্রুতি ডা. জুবাইদা রহমানের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে যোগ দিলেন রাশেদ খাঁন দিল্লিমুখী হাজারো কৃষক, নতুন চাপে মোদি সরকার ভিডিও ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন জামায়াত এমপির ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন স্বাভাবিক-তথ্য উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বার্থা’ সরকারের ঋণ বেড়েছে ২৩ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় নিহত ২০, নিখোঁজ শতাধিক

চাপের কাছে কি নত হচ্ছেন ট্রাম্প

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৮ বার

মিনিয়াপোলিসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নার্স অ্যালেক্স প্রেটি নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রবল চাপের মুখে অবশেষে নমনীয় সুর শোনা গেল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কণ্ঠে। সমালোচনার মুখে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, মিনিয়াপোলিস থেকে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনী বা আইস এজেন্টদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

প্রেটির প্রাণহানি মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। এ নিয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি যখন তুঙ্গে, তখনই ট্রাম্পের এই পিছু হটার খবর এলো।

মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সঙ্গে এক ফোনালাপে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, তার প্রশাসন পুরো ঘটনাটি পর্যালোচনা করছে।

পাঁচ মিনিটের ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিষয়টি দেখছি, সবকিছু পর্যালোচনা করছি ও শিগগির একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাব।’ গোলাগুলির ঘটনা অপছন্দ করেন জানালেও তিনি নিহত প্রেটির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, ‘কেউ যখন শক্তিশালী লোডেড বন্দুক নিয়ে বিক্ষোভে আসে, তখন বিষয়টি ভালো দেখায় না।’

তবে ট্রাম্পের এই দাবির সঙ্গে ঘটনার ভিডিওচিত্রের কোনো মিল নেই। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, ৩৭ বছর বয়সী নিবন্ধিত নার্স প্রেটির হাতে কোনো বন্দুক ছিল না, ছিল কেবল একটি মোবাইল ফোন। অথচ ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা দাবি করে আসছিলেন, প্রেটি এজেন্টদের ওপর ‘গণহত্যা’ চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন।

সমালোচনার মুখে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, মিনিয়াপোলিস থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরিয়ে নেওয়া হবে। কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না করলেও তিনি বলেন, ‘কোনো একসময় আমরা সেখান থেকে সরে আসব। আমাদের বাহিনী সেখানে অসাধারণ কাজ করেছে।’ তবে তিনি জানান, আর্থিক জালিয়াতি দমনের জন্য সেখানে ভিন্ন একটি দল রাখা হবে।

গত এক বছর ধরে মিনেসোটার সোমালি জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু করে আসছে ট্রাম্প প্রশাসন। রাজ্যে প্রায় ৮৪ হাজার সোমালি বংশোদ্ভূত মানুষ বাস করেন, যাদের বেশিরভাগই মার্কিন নাগরিক বা বৈধ বাসিন্দা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ