বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২৩৮৬৫টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী এক লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ ঘোষণা ইরানের সর্বোচ্চ নেতার টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটের নদ-নদীতে বেড়েছে পানি, বন্যার শঙ্কা দুই মাসের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের অস্বাভাবিক হারে বাড়বে তেলের দাম, কটাক্ষ ইরানি স্পিকারের ৫ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ৮ কর্মকর্তা বদলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় ‘ইরান এমন অস্ত্র বের করবে, যা দেখে শত্রু হার্ট অ্যাটাক করতে পারে’ ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ ঘোষণা ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ বার

পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ ঘোষণা করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি বলেছেন, “ইরান তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ হিসেবে রক্ষা করবে এবং এ বিষয়ে কোনও আপস করবে না।”

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘোষণা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।

বৃহস্পতিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক লিখিত বক্তব্যে খামেনি এসব কথা বলেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলায় মোজতবা খামেনিার বাবা তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এরপর মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি এভাবেই বিবৃতি দিয়ে আসছেন।

এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লজ্জাজনক পরাজয়’ হয়েছে উল্লেখ করে মোজতবা খামেনি বলেন, “দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা ৯ কোটি গর্বিত ইরানি নাগরিক আমাদের পরিচয়, আধ্যাত্মিকতা, মানবসম্পদ, বৈজ্ঞানিক, শিল্প ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে- ন্যানোপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পর্যন্ত- জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে। এবং তারা এগুলোকে দেশের পানি, ভূমি ও আকাশসীমার মতোই রক্ষা করবে।”


পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও স্থান নেই

একই বক্তব্যে খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি নিয়ে কড়া ভাষায় মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও স্থান নেই। তাদের ‘একমাত্র স্থান হলো পানির তলদেশে’।

তার ভাষায়, “আল্লাহর সাহায্যে এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ হবে উজ্জ্বল একটি ভবিষ্যৎ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও স্থান থাকবে না; বরং এটি হবে এ অঞ্চলের জনগণের উন্নয়ন, স্বাচ্ছন্দ্য ও সমৃদ্ধির জন্য।”

মোজতবা খামেনি বলেন, পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরসংলগ্ন দেশগুলোর মধ্যে একটি ‘অভিন্ন ভাগ্য’ বা সামষ্টিক ভবিষ্যত রয়েছে।

“হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে আসা বিদেশিরা এখানে লোভ ও বিদ্বেষ নিয়ে আসে- এখানে তাদের কোনও স্থান নেই,” যোগ করেন তিনি

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ