শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পুলিশের ছয় শীর্ষ পদে রদবদল, এসবি প্রধান হলেন কামরুল আহসান ইউপি নির্বাচন : পাঁচ ধাপে ভোট চায় বিএনপি বিডিআর হত্যার ৪ প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে সিমেন্টের বস্তায় বেঁধে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান সংসদের তিন অধিবেশনে খরচ ৭০৩ কোটি টাকা ভালো অর্জনকে স্বীকৃতি দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্টের ২৫ বছরের কারাদণ্ড মানুষ যে ধরনের আইন চায়, সে ধরনের আইনই আনবে সরকার: আইনমন্ত্রী ‘ভারতে পলাতক ফ্যাসিবাদী ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতার চেষ্টা করতে না পারে’ নির্বাচনী এজেন্টের ব্যাংক হিসাব দাখিল বাধ্যতামূলক করল ইসি মেসির ১০০তম গোলে চ্যাম্পিয়ন মায়ামি

৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছবে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮৯ বার

সৌদি আরব থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল বহনকারী একটি তেলবাহী জাহাজ আগামী ৫ মে রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

রাষ্ট্রায়ত্ত ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরিফ হাসনাত বলেন, ‘এমটি নাইনেমিয়া জাহাজটি অপরিশোধিত তেল বহন করছে এবং এটি ইতোমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে। আমরা আশা করছি, জাহাজটি ৫ মে রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে।’

তিনি বলেন, জাহাজটি ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করে এবং হরমুজ প্রণালীর যুদ্ধাঞ্চল এড়িয়ে আরব সাগরের নিরাপদ এলাকায় পৌঁছে বর্তমানে বঙ্গোপসাগরের পথে রয়েছে।

হাসনাত জানান, জাহাজটি সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকাল ৬টায় যাত্রা শুরু করে। তার আগে রাতভর এতে তেল লোড করা হয়।

সৌদি আরব থেকে এই চালান পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পুনরায় কার্যক্রম শুরু করবে। অপরিশোধিত তেলের সংকটে প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল।

তবে ইআরএল প্রধান বলেন, আরও একটি জাহাজ ‘নর্ডিকস পলাক্স’ যেটিতে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল রয়েছে, সেটি হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকার কারণে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়ে আছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি বছরে ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করে, যা দেশের বার্ষিক ৭২ লাখ টন চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কর্মকর্তারা জানান, দেশের চাহিদা মেটাতে ৯২ শতাংশ জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয়। বাকি ৮ শতাংশ স্থানীয় উৎস ও কনডেনসেট প্রক্রিয়াজাত করে পাওয়া যায়।

পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে, মোট ব্যবহারের ৬৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। এরপর রয়েছে কৃষি খাত, যেখানে সেচকাজে ব্যবহারের জন্য ১৫ দশমিক ৪১ শতাংশ জ্বালানি প্রয়োজন হয়।

অবশিষ্ট জ্বালানির মধ্যে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে, ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ শিল্প উৎপাদনে এবং প্রায় ১ শতাংশ গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত হয়।

জ্বালানি চাহিদার তালিকায় ডিজেল শীর্ষে রয়েছে। এরপর রয়েছে ফার্নেস অয়েল, পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন এবং বিমান চলাচলে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল।

বিপিসি কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে তারা মোট ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪১ টন জ্বালানি বিক্রি করেছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ