শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মার্কিন অভিযানের তথ্য ফাঁসকারীদের গুলি করে হত্যার হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন ছড়িয়েছে পাশের ভবনে, নিয়ন্ত্রণে ১৪ ইউনিট মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের ঘনঘটা সংঘাতের মধ্যে ইয়েমেনে বেড়েছে কলেরার প্রকোপ, সতর্কবার্তা ডব্লিউএইচওর দাওয়াতি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন চরমোনাই পীর ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, অনিশ্চয়তায় ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী প্রথম ধাপে ৮শ’ ইউপিতে ভোট, প্রভাব বিস্তার ও বিশৃঙ্খলায় তাৎক্ষণিক শাস্তির বিধান

হঠাৎ ব্লাড সুগার কমে যাওয়ার কারণ ও প্রতিকার

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২১৬ বার
আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় মস্তিষ্ক সচল থাকতে পুরোপুরি গ্লুকোজের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু মস্তিষ্ক নিজে গ্লুকোজ তৈরি বা জমা রাখতে পারে না। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ কমে গেলে মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘হাইপোগ্লাইসেমিয়া’।

নিউরোলজিস্টদের মতে, গ্লুকোজের সরবরাহ বন্ধ হলে মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক সংকেতগুলো এলোমেলো হয়ে যায়। এর ফলে রোগীর খিঁচুনি হতে পারে, এমনকি স্নায়ুর স্থায়ী ক্ষতি বা রোগী অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। বিশেষ করে নবজাতক শিশু, ডায়াবেটিক রোগী ও লিভার বা কিডনি সমস্যায় আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
সুগার কমে যাওয়ার লক্ষণ:

১। অতিরিক্ত ঘাম হওয়া এবং শরীর কাঁপা।

২। হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া ও মাথা ঘোরা।

৩। প্রচণ্ড খিদে পাওয়া বা হঠাৎ অস্থিরতা বোধ করা।

৪। চোখে ঝাপসা দেখা বা খিটখিটে মেজাজ।

৫। শিশুদের ক্ষেত্রে চোখের মণি অস্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া করা।

সুগার ফল করার কারণ:
এন্ডোক্রিনোলজিস্টদের মতে, ওষুধ, খাবার ও পরিশ্রমের মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে এই সমস্যা হয়। প্রধান কারণগুলো হলো:
১. ইনসুলিনের ভুল মাত্রা বা ইনসুলিন নিয়ে খাবার না খাওয়া।
২. দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকা।
৩. সামর্থ্যের অতিরিক্ত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম।
৪. খালি পেটে মদ্যপান করা।

করণীয়:

১। দ্রুত ৩ চা-চামচ গ্লুকোজ পাউডার পানিতে গুলে অথবা ফলের রস পান করতে দিন।

২। গ্লুকোজ খাওয়ার ১৫ মিনিট পর পুনরায় সুগার পরীক্ষা করুন।

৩। রোগী যদি অজ্ঞান হয়ে যান বা মুখে খাবার নেওয়ার অবস্থায় না থাকেন, তবে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

সূত্র : এই সময়

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ