সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

সৌরশক্তির স্বস্তিতে পাকিস্তান, অনেক পেছনে বাংলাদেশ

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ বার

পাকিস্তান থেকে স্বাধীন হওয়ার পর গত ৫৫ বছরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকগুলোতে পাকিস্তানের তুলনায় ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। অর্থনীতিতে মাথাপিছু আয়, জিডিপি প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও দারিদ্র্য দূরীকরণ; সামাজিক খাতে গড় আয়ু, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় ভর্তির হার, শিক্ষার হার ও শিশুমৃত্যু হ্রাস, নারীর ক্ষমতায়ন ও জেন্ডার সমতা এবং অবকাঠামো খাতে পল্লী বিদ্যুতায়নের প্রসার পাকিস্তানের তুলনায় অনেক এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। এই তুলনায় পাকিস্তানের এগিয়ে যাওয়া বলতে সামরিক খাতকে বোঝায়। তবে চলমান বৈশ্বিক জ¦ালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে জ¦ালানি নিরাপত্তা ও সবুজ জ¦ালানি খাতে পাকিস্তানের চমক সৃষ্টিকারী সাফল্যের সংবাদ বিশ্ব গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। দেশটির মোট বিদ্যুৎ চাহিদার অর্ধেকই জোগান দেওয়া হচ্ছে সৌরশক্তি থেকে, যেখানে বহু পিছিয়ে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের সৌরশক্তির এই সাফল্য চলমান জ¦ালানি সংকটের ঝড় সামাল দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

প্রতিবেদনগুলোতে চলমান বৈশ্বিক সংকটে দুই দেশের জ¦ালানি নিরাপত্তা ও সৌরশক্তি ব্যবহারের একটি তুলনামূলক চিত্র উঠেছে এসেছে। এক্ষেত্রে মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে পাকিস্তান নাটকীয়ভাবে এগিয়ে গেছে। ২০২৪ সাল নাগাদ পাকিস্তানের বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার প্রায় ৩৫ শতাংশে পৌঁছে, বাংলাদেশে যা ছিল মাত্র ৪ শতাংশ। ২০২৫ সালে পাকিস্তানের এই অর্জন ৫০ শতাংশে উন্নীত হয়। এই প্রেক্ষাপটে দেশের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত বছরগুলোতে রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব এবং মুনাফানির্ভর নীতির কারণেই বাংলাদেশ এ খাতে পিছিয়ে আছে। অবস্থার উত্তরণে নীতি পরিবর্তন জরুরি।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, বর্তমানে পাকিস্তানে মোট বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ৩০ গিগাওয়াট (৩০ হাজার মেগাওয়াট)। সেখানে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সৌর প্যানেল বসানো হয়েছে ১৫ গিগাওয়াটের মতো। তবে শুরুর দিকে গল্পটা এমন ছিল না। ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে বৈশ্বিক জ¦ালানির বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। যার ফলে পাকিস্তানে আমদানীকৃত প্রাকৃতিক তরল গ্যাসের সংকট হয় এবং ধীরে ধীরে বিদ্যুতের দাম বেড়ে যায়। একপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম আকাশচুম্বী হলে খরচ কমাতে নিজ বাড়িতে সোলার প্যানেল স্থাপন করতে শুরু করেন ইসলামাবাদ শহরের বাসিন্দা মুর্তাজা আলী। পেশায় তিনি একজন স্যানিটারি হার্ডওয়ারের খুচরা বিক্রেতা। মুর্তাজা আলীর মতো লাখ লাখ পাকিস্তানির মধ্যে একজন, যারা দেশটির সৌরশক্তির উত্থানের অংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ব্যবস্থাই দেশটিকে ইরান যুদ্ধের ধাক্কা থেকে রক্ষা করেছে।

মুর্তাজা আলী বলেন, মনে হচ্ছে আমার বিনিয়োগ যথার্থ হয়েছে। কারণ, এখন আবার আন্তর্জাতিক জ¦ালানির সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আমরা সরকারি বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে এনেছি এবং ইরান যুদ্ধের কারণে যে কোনো সম্ভাব্য বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির অভিঘাত থেকে নিজেদের সুরক্ষা করতে পেরেছি।

পাকিস্তানি থিঙ্কট্যাঙ্ক ‘রিনিউয়েবলস ফার্স্ট’-এর সহযোগী নাবিয়া ইমরান বলেন, সে সময় সামর্থ্যবানরা বুঝতে পেরেছিলেন, একটি অনির্ভরযোগ্য গ্রিড থেকে উচ্চমূল্যের বিদ্যুৎ নেওয়ার চেয়ে একবার বিনিয়োগ করে সোলার প্যানেল বসানো দীর্ঘমেয়াদে অনেক সাশ্রয়ী এবং কার্যকর। এরপর থেকে পাকিস্তানে ছাদের ওপর সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের একটি বিস্ময়কর জোয়ার দেখা গেছে।

জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘এমবার’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশজুড়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের হার পাঁচগুণ বেড়েছে। ‘রিনিউয়েবলস ফার্স্ট’-এর হিসাবমতে, ২০২৪ সালে দেশের গ্রিডে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই এসেছে সৌরবিদ্যুৎ থেকে।

হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাসের প্রধান বাণিজ্যপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তানের এই সৌরবিদ্যুতের প্রসার বিদ্যুৎখাতকে বিশ্ববাজারের সবচেয়ে খারাপ বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছে। নাবিয়া ইমরান বলেন, সৌরবিদ্যুৎ না থাকলে এই সংকট অনেক গুণ বেশি ভয়াবহ হতে পারত। ‘রিনিউয়েবলস ফার্স্ট’ এবং ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার’-এর বিশ্লেষণ অনুসারে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাকিস্তানের এই সৌর জোয়ার প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের তেল ও গ্যাস আমদানি খরচ বাঁচাতে সাহায্য করেছে।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) জ্বালানি অর্থায়ন বিশেষজ্ঞ হানিয়া ইসাদ বলেন, সৌরবিদ্যুৎ পাকিস্তানের জন্য একটি আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা গ্যাস খাতে তাৎক্ষণিক সরবরাহ সংকট প্রতিরোধ করেছে। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য শক্তি কীভাবে ঢাল হিসেবে কাজ করতে পারে, পাকিস্তান তার একটি চমৎকার উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

পাকিস্তান সোলার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ও হ্যাড্রন সোলারের সিইও ওয়াকাস মুসা বলেন, পাকিস্তানের সৌরবিদ্যুতের এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে কয়েকটি বিষয় কাজ করেছে। এর মধ্যে প্রধান কারণগুলো হলো- চীন থেকে আসা সোলার প্যানেলের অত্যন্ত কম দাম এবং সরকারি বিদ্যুতের আকাশচুম্বী মূল্য।

গত বছর পাকিস্তানে কী পরিমাণ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপিত হয়েছে সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে এম্বার-এর গ্লোবাল ইনসাইটস প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ডেভ জোনসের মতে, বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, প্যানেলগুলোর বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৫ গিগাওয়াট। যেখানে দেশটির বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা থাকে প্রায় ৩০ গিগাওয়াট। সৌরবিদ্যুৎ প্রসারের এই মাত্রা সত্যিই বিস্ময়কর।

পাকিস্তানের পাওয়ার ডিভিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, সৌর উত্থানের জন্য সরকারকে ‘পুরো কৃতিত্ব দিতে হবে’। তিনি এর কারণ হিসেবে সোলার প্যানেলের ওপর শূন্য শতাংশ কর এবং ‘নেট মিটারিং’ পদ্ধতির মতো কর্মসূচিগুলোকে উল্লেখ করেন। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ তাদের অতিরিক্ত সৌরশক্তি গ্রিডে পাঠাতে পারে এবং বর্তমানে এটি থেকে প্রায় ৪ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে।

গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ারের (সিআরইএ) সহ-প্রতিষ্ঠাতা লাউরি মিল্লিভিরতা বলেন, ইরান যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন হবে। কারণ পাকিস্তানে দেখা যাচ্ছে সৌরশক্তির ব্যাপক প্রসারের কারণে ডিজেল ও এলএজির ব্যবহার-আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব জ¦ালানির ব্যবহারের হার খুবই কম। যার ফলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্প্রসারণের কারণে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এলএনজির আমদানির পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।

সিআরইএ ও রিনিউয়েবলস ফার্স্ট-এর বিশ্লেষণ মতে, তেল ও গ্যাসের দাম বর্তমান অবস্থায় থাকলে পাকিস্তান চলতি বছরে অন্তত ৬৩০ কোটি ডলার সাশ্রয় করতে পারবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৭৬ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে)।

এই পার্থক্যের প্রধান কারণ হলো ২০২২ সালের জ¦ালানি সংকট মোকাবিলার ক্ষেত্রে দেশ দুটির ভূমিকা। তখন ভোক্তাদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ভর্তুকি বাড়িয়ে খুচরা বিদ্যুতের দাম কম রাখার পথ বেছে নিয়েছিল। বিপরীতে, পাকিস্তান জ্বালানির ক্রমবর্ধমান খরচ সরাসরি ভোক্তাদের ওপর চাপিয়ে দেয়, যা দেশটির জনগণকে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ছেড়ে সৌরশক্তিতে স্থানান্তরিত হতে উৎসাহিত করে।

নিজের বাড়িতে সৌর প্যানেল স্থাপন করেছেন তথ্যপ্রযুক্তিবিদ কাশিফ শুজাহাত। তিনি বলেন, পাকিস্তানে সৌরশক্তির ব্যাপক ব্যবহারের আরেকটি কারণ হলো সরকারি বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর আস্থার অভাব। সরকারের সরবরাহকৃত বিদ্যুৎ ব্যয়বহুল, অনির্ভরযোগ্য এবং অনেক বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। তাই সামর্থ্যবানরা সৌরশক্তি লাগাতে দেরি করেননি।

একই সময় চীনের তৈরি সোলার প্যানেলের দাম কমে যাওয়ায় এই পরিবর্তন আরও ত্বরান্বিত হয়। এম্বারের তথ্যমতে, ২০২২ সালের শুরু থেকে গত বছরের শেষ পর্যন্ত চীন থেকে মোট ৪৪ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেল আমদানি করেছে পাকিস্তান। একই সময়ে বাংলাদেশ আমদানি করেছে মাত্র ১ দশমিক ৯ গিগাওয়াট। ফলে ২০২৪ সাল নাগাদ পাকিস্তানের বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার ৩৪ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছে, বাংলাদেশে যা ছিল মাত্র ৪ শতাংশ।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অনেকে সৌরশক্তিতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়েছেন। সরকারও আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তবে সরকারের পরিকল্পনা কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন। বিগত শেখ হাসিনা সরকার এই পরিকল্পনা করলেও তা বাস্তবায়নে তেমন গুরুত্ব দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম আমাদের সময়কে বলেন, এমন উদাহরণ আমরাও তৈরি করতে পারতাম। ইতোমধ্যে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩.৫ মেগাওয়াট সোলার প্যানেল বসানোর কাজ চলছে। এর মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে ১০০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে। যার প্রতি ইউনিট মূল্য পড়ছে সাড়ে সাত টাকা। আর পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু হলে এই দাম পড়বে মাত্র সাত টাকা। যেখানে সরকারের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম এখনও ১৫ টাকা।

তবে সরকারের নীতি ও ইচ্ছার পরিবর্তন না হলে এ অবস্থার বদল ঘটবে না বলে মত দিয়েছেন অধ্যাপক শামসুল আলম। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ডেসকো ও নেসকোর মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো পিডিবির কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করে। এখান থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো প্রচুর মুনাফা করে। সেক্ষেত্রে সৌরশক্তি থেকে বিদ্যুৎ ক্রয় করলে তাদের মুনাফায় ভাটা পড়বে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের স্বার্থে সৌরশক্তির মতো টেকসই ও সাশ্রয়ী মূল্যের জ¦ালানি ব্যবস্থার দিকে নজর দেয় না। উল্টো কৌশলে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। বিগত সরকারের সময় সৌর প্ল্যান্ট বসানোর জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হলোও তাতে সাড়া দেয়নি কোনো ঠিকাদার বা বিনিয়োগকারী। কিন্তু আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের টেন্ডারে ১৩ জন বিনিয়োগকারী অংশ নিয়েছিল। সেখান থেকে বাছাই করে একজনকে কাজ দিয়েছি।

এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটাতে সরকারকে দুটি কাজ করতে হবে বলে মনে করেন জ¦ালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম। তিনি বলেন, টেকসই ও নিরাপদ জ¦ালানির জন্য প্রথমে সরকারকে মুনাফানির্ভর নীতি থেকে বের হয়ে ‘নো প্রোফিট, নো লস’ নীতি গ্রহণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, জ¦ালানি খাত থেকে দুর্নীতি পুরোপুরি উচ্ছেদ করতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ-জ¦ালানি খাতকে দুর্নীতি/লুষ্ঠুত মুক্ত করতে হলে সরকারকে ভোক্তাদের দাবি আমলে নিতে হবে এবং জ¦ালানির দাম কমানোর জন্য বিইআরসিকে (বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন) গণশুনানি করার নির্দেশ দিতে হবে।

তথ্যসূত্র : নিক্কেই এশিয়া, গার্ডিয়ান ও সিএনএন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ