মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আগামীকাল কুড়িগ্রাম যাচ্ছেন এনসিপির ৩ নেতা ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৩ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সবসময় থাকার প্রতিশ্রুতি ডা. জুবাইদা রহমানের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে যোগ দিলেন রাশেদ খাঁন দিল্লিমুখী হাজারো কৃষক, নতুন চাপে মোদি সরকার ভিডিও ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন জামায়াত এমপির ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন স্বাভাবিক-তথ্য উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বার্থা’ সরকারের ঋণ বেড়েছে ২৩ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় নিহত ২০, নিখোঁজ শতাধিক

বিশ্বের ‘রক্ষক’ থেকে ‘বিশৃঙ্খলবাজ’ যুক্তরাষ্ট্র

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩৯ বার

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপিয়ে দেওয়া ইরান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। তবে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এই যুদ্ধের জেরে মিত্র থেকে শুরু করে শত্রু দেশগুলো চরম অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়লেও, যুক্তরাষ্ট্র নিজে প্রায় অক্ষত রয়েছে। দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র এক সময় বিশ্বব্যাপী নিয়মভিত্তিক শৃঙ্খলার ‘রক্ষক’ হিসেবে পরিচিত থাকলেও, এখন তারা নিজেরাই ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী’র ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ৯০ শতাংশ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে এশিয়া। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন দেশের দৈনন্দিন জীবনে। ভারত সাধারণ মানুষের রান্নার গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্লাস্টিক শিল্পে গ্যাস সরবরাহ সীমিত করেছে। নেপালও গ্যাসে রেশনিং চালু করেছে। জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি কর্মদিবস কমিয়ে চার দিন করা হয়েছে ফিলিপাইনের।

শুধু জ্বালানি নয়, কৃষি খাতও মারাত্মক হুমকির মুখে। ব্রাজিল ও ভারতের যথাক্রমে ৭০ ও ৪০ শতাংশ ইউরিয়া সার এই হরমুজ প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হয়। পাশাপাশি, উপসাগরীয় দেশগুলোর খাদ্য আমদানির (চাল, সয়াবিন, ভোজ্যতেল) প্রধান পথও এটি। এ ছাড়া জ্বালানি সংকটের কারণে এশিয়ায় পুনরায় পরিবেশদূষণকারী কয়লার ব্যবহার বাড়ছে, যা জলবায়ুর জন্য অশনিসংকেত।

ইউরোপের শেয়ারবাজারে ইতোমধ্যে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) পূর্বাভাস অনুযায়ী, জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে ইউরোপের প্রবৃদ্ধি স্থবির হয়ে ০.৪ শতাংশে নেমে আসতে পারে এবং এশিয়ার প্রবৃদ্ধিও কমবে। অথচ অভ্যন্তরীণ প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাচুর্যের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি সুরক্ষিত থাকছে, উল্টো তাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ২.৫ শতাংশ হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, মিত্র দেশগুলো এখন বাধ্য হয়েই মেনে নিচ্ছে যে, ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন আমেরিকা আর আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতার নির্ভরযোগ্য অংশীদার নয়, বরং তারাই এখন বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রধান উৎস।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ