বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুপ্রিম কোর্ট ভবন নির্মাণে ভুয়া বিলে ৬.৩২ কোটি টাকা আত্মসাৎ স্থানীয় নির্বাচনে কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেবো না: সিইসি বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে গর্ত ভরাটে ইটের খোয়া পাথর-বিটুমিনের বদলে বালু ও ইটের খোয়া, স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন চট্টগ্রামে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনায় ২ সেনাসদস্য নিহত পলিথিন-প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যেন ফিরে এসেছে নব্বইয়ের দশক এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা রিট খারিজ, ছবি ছাড়া করা যাবে না জাতীয় পরিচয়পত্র ভয়াবহ বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই তিব্বতে ভূমিকম্প মদনে দা দিয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক

১০৪ বছর বয়সী নুর হত্যা মামলায় কারাগারে

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩ বার

২৬ বছর আগে কিশোরগঞ্জে দোকানে ডাকাতির পর দুই ব্যক্তি হত্যার মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১০৪ বছর বয়সী এক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। অশীতিপর ওই ব্যক্তির নাম নুর মোহাম্মদ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চতুর্থ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে তিনি আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেন। তবে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

শুনানিতে নুর মোহাম্মদের আইনজীবী ফয়সাল আহমেদ বলেন, তার মক্কেলের বয়স ১০৪ বছর। তিনি হৃদরোগসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত। স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারেন না এবং নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবন করতে হয়। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও তিনি স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। এ কারণে আপিলের শর্তে তাকে জামিন দেওয়ার আবেদন করেন তিনি।

তবে শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে নুর মোহাম্মদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে কিশোরগঞ্জের বড় বাজার এলাকায় ফেরদৌসের দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা দোকানের সিন্দুক থেকে সাড়ে ১২ লাখ টাকা ও ১১০ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় মোশাররফ হোসেন ও আবদুল কবির নামে দুই ব্যক্তি নিহত হন।

এ ঘটনায় দোকান মালিক ফেরদৌস কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন কিশোরগঞ্জ থানার তৎকালীন এসআই আনোয়ার হোসেন। পরে মামলাটি কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়।

মামলায় ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন চতুর্থ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। রায়ে হাবিবুর রহমান, শাহ আলম, মঈন উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আলম, দিলু ওরফে দেলোয়ার হোসেন, শুকুর আলী ও আলতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আর জসিম, সিদ্দিক, আমির চান, কবির ও বজলুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

পরে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের শুনানি হয় উচ্চ আদালতে। ২০০৭ সালের ১৯ আগস্ট দেওয়া রায়ে কেবল আলমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। একই রায়ে নুর মোহাম্মদের সাজা কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে এতদিন সাজা ভোগ করেননি নুর মোহাম্মদ। মামলার বিচার চলাকালে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেওয়ার পর আদালত থেকে জামিন নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান তিনি। রায় ঘোষণার সময়ও তিনি ছিলেন পলাতক।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ