হাইকোর্ট বিভাগে এক বিষয়ে একাধিক রিট মামলা দায়ের করে তথ্য গোপন ও আদালতের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে রিটকারী মোহাম্মদ নুর আলম ও তার আইনজীবী সুফিয়া আহামেদকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আপিল বিভাগ।
নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষে আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে নুর আলমের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এএম মাহাবুব উদ্দিন খোকন। অপরদিকে নিকাহ্ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী অনিক আর হক, সিনিয়র আইনজীবী মো. শিশির মনির এবং আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত।
শুনানিতে একই বিষয়ে একাধিক রিট দায়ের এবং আদালতের কাছে তথ্য গোপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রিটকারী ও তার আইনজীবীর বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দেন।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানার অর্থ ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দিতে হবে।
পরে আইনজীবীরা জানান, আদালত রিটকারী মো. নুর আলম ও তার আইনজীবী সুফিয়া আহামেদকে পৃথকভাবে ৫ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার সূত্রে জানা যায়, যাত্রাবাড়ী থানার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ্ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মোহাম্মদ নুর আলম হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট মামলা দায়ের করেন। একই বিষয়ে একাধিক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী মামলার তথ্য গোপন করা হয়েছে-এমন অভিযোগ ওঠে।