শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন

আচরণবিধি ও অভিযোগ যাচাইয়ে ১০ কর্মকর্তা নিয়োগ

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৮০ বার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং নির্বাচনকালীন অভিযোগ যাচাই করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রশাসনিক ১০ অঞ্চলের জন্য ১০ কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে সংস্থাটি। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান সই করা এ সংক্রান্ত এক অফিস আদেশ থেকে বিষয়টি জানা গেছে।

এতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনায় তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনী ফলাফল গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত সময়ের জন্য ১০ জন কর্মকর্তাকে ১০ অঞ্চলের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

ওই ১০ কর্মকর্তা যে দায়িত্ব পালন করবেন সেগুলো হলোÑ ভোটকেন্দ্র সম্পর্কিত পাওয়া অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য উপস্থাপন; নির্বাচনকালীন আচরণবিধি ভঙ্গ ও অন্যান্য অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য নথি উপস্থাপন; নির্বাচন উপলক্ষে পঠিত বিভিন্ন কমিটির কাছ থেকে প্রতিবেদন সংগ্রহ ও নির্বাচন কমিশন সমীপে উপস্থাপন; মনোনয়নপত্র দাখিল হতে বার্তাশিট সংগ্রহসহ রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ; প্রতীক বরাদ্দের পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর তালিকা সংগ্রহ এবং তালিকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার ক্রমানুসারে হয়েছে কিনা তা যাচাই।

এ ছাড়া রয়েছে, ব্যালট পেপার মুদ্রণের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর তালিকা মুদ্রণালয়ে পাঠানো; ব্যালট পেপার মুদ্রণের প্রুফ রিডিং এবং চূড়ান্ত মুদ্রণের জন্য অনুমোদন দেওয়া; ভোটগ্রহণের দিন পরিস্থিতি প্রতিবেদন সংগ্রহ ও নির্বাচন কমিশন সমীপে উপস্থাপন; বেসরকারি ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন এবং ওসিভিও-আইসিভি বিষয়ক দায়িত্বপালন।

চিঠিতে আরও বলা হয়, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক আইন অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২ শাখা অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া ও সমন্বয় করবেন। অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক সরবরাহ করা মনোনয়নপত্র দাখিল, বাছাই, আপিল গ্রহণ, আপিল

নিষ্পত্তি, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর তথ্য একীভূত করে নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপন করবেন। এ ছাড়া ভোটগ্রহণের দিন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া ফলাফল (বার্তাশিট) এবং পরিস্থিতি প্রতিবেদন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একীভূত ও নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপনসহ এ সংক্রান্ত সব কার্যক্রম নেবেন। তাছাড়া জরুরি প্রয়োজনে অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক নথি উপস্থাপন ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পরামর্শ দেবেন।

উল্লেখ্য, ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচার চলবে ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ