বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মার্কিন পাসপোর্টে নিজের ছবি বসাচ্ছেন ট্রাম্প রেওয়াজ ভেঙে ভোটের সকালেই বুথ পরিদর্শনে মমতা ট্রাম্প ও রাজা চার্লস একমত. ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না শত্রুর যেকোনো পদক্ষেপে রণক্ষেত্রে কঠোর জবাব দেবে ইরান প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার ফেসবুক পোস্টের জেরে সাবেক এফবিআই পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সিরিজ জয়ের লড়াইয়ে কেমন হবে বাংলাদেশের একাদশ বিশ্ববাজারে আরেক দফা বাড়ল তেলের দাম দেশের ৪ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৫ জেলায় বন্যার আভাস ইরানকে সহযোগিতা করায় ৩৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ বার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাপানি ‘মিয়াওয়াকি’ ফরেস্ট পদ্ধতিতে ছোট ছোট উন্মুক্ত জায়গায় ঘন সবুজায়নের চেষ্টা চলছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকায় আগামী পাঁচ বছরে ইনশাআল্লাহ ৫ লাখ বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের খালি জায়গায় বৃক্ষরোপণ করা হবে।

আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম কার্যদিবসে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানীকে ক্লিন ও গ্রিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরকে ঢাকা শহরের পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জনঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ ও বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তিনি স্বীকার করেন যে, চাকরি, চিকিৎসা ও শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। ফলে সারাদেশ থেকে মানুষ ঢাকামুখী হচ্ছেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মধ্যে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ধীরে ধীরে দেশের সকল অংশেই পর্যায়ক্রমিকভাবে এই বেসিক সুবিধাগুলোকে গড়ে তোলা। সরকার বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ শিল্পায়িত অঞ্চল, উন্নত চিকিৎসাসেবা ও ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। এতে করে মানুষ ঢাকায় আসার উৎসাহ কমবে এবং রাজধানীর ওপর চাপ হ্রাস পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ময়মনসিংহ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহরের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রেললাইন এখন শহরের ভেতরে চলে এসেছে, যা আগে ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাইপাসের দু’পাশেও এখন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশটি আয়তন হিসেবে ছোট। সেজন্যই আমাদেরকে অনেকগুলো বিষয় চিন্তা করতে হয়— জমি নষ্ট করবেন কি না, অর্থ ব্যয় করবেন কি না।

তিনি জানান, এটি শুধু ময়মনসিংহ নয়, সারাদেশের শহরগুলোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য একটি বড় পরিকল্পনার বিষয়। নির্দিষ্ট প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তরের জন্য সংসদ সদস্যকে নোটিশ দিয়ে প্রশ্ন পাঠানোর পরামর্শ দেন তিনি।

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের পূর্বে যে ফ্যামিলি কার্ডের কথা জনগণকে বলা হয়েছিল, মানুষ সেটি স্বাগত জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ৪ কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। প্রথম পর্যায়ে ভালনারেবল (দুর্বল) পরিবারগুলোকে এই কার্ড দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘একবারে সবাইকে দেওয়া সম্ভব নয়। ডাটা সংগ্রহ করে ধীরে ধীরে বিতরণ করা হবে।’

ফ্যামিলি কার্ডে প্রতি পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে চালু থাকা সকল সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা একসঙ্গে যোগ করলেও এর চেয়ে কম হয়। তিনি আরও বলেন, একই ব্যক্তি যাতে একাধিক সুবিধা না পান, সেজন্য রিপিটেশন কাটডাউন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই টাকা গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যয় হবে এবং দেশীয় শিল্প ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এতে করে মূল্যস্ফীতি বাড়বে না, বরং কমবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ