বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ও জালিয়াতি রোধ সহজ হবে: আইনমন্ত্রী নতুন দায়িত্ব পেলেন হুইপ দুলু পে-স্কেলের পরও দুর্নীতি হলে সরকারি চাকরিজীবীদের বিরুদ্ধে নামবে জনগণ-ভোলায় সারজিস আলম রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা সুপ্রিম কোর্ট ভবন নির্মাণে ভুয়া বিলে ৬.৩২ কোটি টাকা আত্মসাৎ স্থানীয় নির্বাচনে কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেবো না: সিইসি বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে গর্ত ভরাটে ইটের খোয়া পাথর-বিটুমিনের বদলে বালু ও ইটের খোয়া, স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন চট্টগ্রামে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনায় ২ সেনাসদস্য নিহত পলিথিন-প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যেন ফিরে এসেছে নব্বইয়ের দশক

সুপ্রিম কোর্ট ভবন নির্মাণে ভুয়া বিলে ৬.৩২ কোটি টাকা আত্মসাৎ

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২ বার

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পে ভুয়া বিল ও টেন্ডার কারসাজির মাধ্যমে প্রায় ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদকদ)। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪-এ পরিচালিত এক এনফোর্সমেন্ট অভিযানে সরকারি অর্থ আত্মসাতের এ চাঞ্চল্যকর সত্যতা মেলে।

দুদকের উপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম জানান, দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পরিচালিত এই অভিযানে পাওয়া নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ‘বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের জন্য রেকর্ড ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পের মূল কাজের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডকে (এনডিইএল)। কিন্তু বিধি ভেঙে কোনো অনুমোদন ছাড়াই প্রকল্পটি অবৈধভাবে আটটি পৃথক প্যাকেজে ভাগ করা হয়। এরপর ই-জিপি টেন্ডারের কারসাজি করে অন্য আটটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে মোট ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকার বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, বিভাজিত আটটি কাজের মধ্যে অন্তত চারটিতে ভৌত কোনো অস্তিত্বই ছিল না। যেগুলোর কোনো চুক্তিপত্র বা কাজের পরিমাপ বইও (মেজারমেন্ট বুক) পাওয়া যায়নি। বাকি চারটি প্যাকেজের কাজ দৃশ্যমান হলেও তা মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিইএল সম্পন্ন করেছে। তা সত্ত্বেও নতুন ঠিকাদারদের নামে অর্থ তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি প্যাকেজে সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর অনুমোদন ছাড়াই দরপত্র পাস করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, এ নজিরবিহীন দুর্নীতির সাথে প্রাথমিক অনুসন্ধানে তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুজ্জামান জড়িত বলে শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তের বক্তব্য গ্রহণসহ সার্বিক দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট চিত্র উদঘাটনে বিস্তারিত অনুসন্ধানের সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করা হচ্ছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ