রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিগগিরই এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শূন্যপদে গণবিজ্ঞপ্তি সৌদি আরবে বসবাস ও কর্মসংস্থানে নতুন নিয়ম, নিতে হবে ওয়ার্ক পারমিট ‘প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নয়, উদ্ভাবক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে তরুণদের’ বিআরটি প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের এইচএসসি সিঙ্গাপুরের ক্লাস সিক্সের সমান: সংসদে ববি হাজ্জাজ শিবির নেতা জিসান ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, বিরোধীদলের হট্টগোল-প্রতিবাদ দুবাইয়ে যেভাবে গ্রেফতার হলেন বেনজীর, সংসদে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ঢুকতে না পারা সেই রেফারিকে সুখবর দিল ফিফা ব্রাজিলিয়ান তারকাদের ‘পকেটে’ রেখে আলোচনায় ১৮ বছরের বুয়াদ্দি গ্যানন-ডোকের ঝলকে স্কটল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্বপ্নে নতুন আলো

প্রাথমিকে চালু হচ্ছে পরীক্ষা ফি, কোন শ্রেণিতে কত?

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
  • ৫ বার

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষা পরিচালনার ব্যয় মেটাতে এখন থেকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শ্রেণিভেদে নির্ধারিত হারে পরীক্ষার ফি নেওয়া হবে। শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর বেইলি রোডে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
সচিব জানান, পরীক্ষা নেয়ার জন্য এখন থেকে শ্রেণিভেদে নির্ধারিত ফি নেয়া হবে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির জন্য ৪০ টাকা এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে পরীক্ষা ফি নেয়া হবে।
হঠাৎ এই ফি নির্ধারণের কারণ ব্যাখ্যা করে গণশিক্ষা সচিব বলেন, ‘বর্তমানে প্রধান শিক্ষকদের যে স্লিপ বরাদ্দ দেয়া হয়, তা দিয়ে অনেক সময় পরীক্ষা আয়োজনের খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, শিক্ষকদের নিজেদের পকেট থেকে টাকা খরচ করতে হয়। শিক্ষকদের ওপর এমন ব্যক্তিগত আর্থিক চাপ তৈরি হওয়া কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়। তাই নির্ধারিত সীমার মধ্যে এই অর্থ নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং এটি কোনো অন্যায় কাজ নয়।’
পরীক্ষা ফি চালুর পর জনমনে বা অভিভাবকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে পারে–এমনটি ধরে নিয়েই সচিব বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আমি নিজেই ব্যাখ্যা দেব। দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এর চেয়েও অনেক বেশি হারে পরীক্ষা ফি নেয়ার উদাহরণ রয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষকদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ না দিয়ে পরীক্ষার মতো জরুরি একটি কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনা করা।’
তবে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আশার কথাও শুনিয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, বর্তমানে সরকারি স্লিপের বরাদ্দ কিছুটা সীমিত হলেও ভবিষ্যতের জন্য এই বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। আগামী অর্থবছর থেকেই বিদ্যালয়গুলো আগের চেয়ে তুলনামূলক বেশি অর্থ পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ