শেষ মুহূর্তের গোলে সুইজারল্যান্ডকে রুখে দিয়ে বাজিমাত করেছে কাতার। এই জয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্টের দেখা পেল এশিয়ার দেশটি।
শনিবার (১৩ জুন) রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোয়গ্রুপ ‘বি’-এর ম্যাচে মুখোমুখি হয় দুই মহাদেশের দুই দেশ।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের পর আক্রমণে কাতারকে চেপে ধরে সুইসরা। ১৩ মিনিটে তারা সুযোগ পায় গোল করার। ব্রিল এমবোলোর হেডে বল নিচে নামার পর সেটির দিকে দ্রুত ছুটে যান রেমো ফ্রয়লার। বলের কাছে পৌঁছালে কাতারের গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা ফাউল করে বসেন তাকে। রেফারি তাৎক্ষণিকভাবে পেনাল্টির বাঁশি বাজান এবং আবুনাদাকে হলুদ কার্ড দেখান। পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন এমবোলো। প্রথমার্ধে কোনো দলই আর গোলের দেখা পায়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে অল-আউট ফুটবলের চেষ্টা করে কাতার। সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জিদের কড়া রক্ষণভাগের সামনে বারবার তাদের আক্রমণগুলো থমকে যাচ্ছিল। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষেও যখন স্কোরলাইন ১-০, তখনই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ইনজুরি টাইমে সুইজারল্যান্ডের ডি-বক্সের ভেতর এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে সুইস রক্ষণভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবিশ্বাস্য এক গোল করে কাতারকে সমতায় ফেরায় তাদের স্ট্রাইকার। গ্যালারিতে থাকা হাজারো কাতার সমর্থককে উল্লাসে ভাসিয়ে রেফারির শেষ বাঁশির সাথে সাথেই ১-১ গোলের সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।
ইউরোপের ফুটবলে সুইসরা অন্যতম শক্তিশালী একটি দল। ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে ১৩ বার খেলছে তারা। কাতার প্রথম বিশ্বকাপ খেলে ২০২২ সালে স্বাগতিক কোটায়। সেবার দেশের মাটিতে গ্রুপের তিনটি ম্যাচই হেরেছে তারা। এবার ৪৮ দলের বিশ্বকাপ খেলছে নিজেদের যোগ্যতায়।