শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

বিবর্ণ মৌসুমের শেষে সাইফের ঝলক, জয়ে শেষ করল ঢাকা

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৩০ বার

অবশেষে বড় ইনিংসের দেখা পেলেন সাইফ হাসান। আগের আট ইনিংসে মাত্র ৬০ রান, পাঁচবারই আউট হয়েছেন দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই—এমন হতাশাজনক পরিসংখ্যান নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন তিনি। বিশ্বকাপের আগে নিজেকে ফিরে পাওয়ার শেষ সুযোগ ছিল এই ম্যাচ। আর সেই সুযোগটাই দারুণভাবে কাজে লাগালেন সাইফ।

বিপিএলের প্রাথমিক পর্বের শেষ ম্যাচে রোববার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৪২ রানে হারায় ঢাকা ক্যাপিটালস। ব্যাট হাতে ঝলমলে পারফরম্যান্সে ৪৪ বলে ৫টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৭৩ রান করেন সাইফ হাসান। তার ইনিংসে ভর করে ঢাকা তোলে ১৭০ রান।

লক্ষ্য তাড়ায় চট্টগ্রাম শুরু থেকেই ছিল চাপে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে তারা কখনোই লড়াইয়ে ফিরতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১২৮ রানে গুটিয়ে যায় দলটি।

বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বিপিএলে নিজের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেন তিনি। তাসকিন আহমেদ নেন ৩ উইকেট।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ঢাকার শুরুটা ভালো হয়নি। উসমান খান ৬ বলে ১৬ রান করে দ্রুত ফিরে যান। ধীর শুরু করেছিলেন সাইফ, প্রথম ৮ বলে তার সংগ্রহ ছিল মাত্র ৩ রান। তবে পঞ্চম ওভারে আমির জামালের ওপর ঝড় তুলে এক ওভারেই চারটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান। পরের ওভারে মুকিদুল ইসলামকে মারেন টানা দুটি ছক্কা। হাসান নাওয়াজকে ছক্কা মেরে ২৯ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।

জুবাইদ আকবারির সঙ্গে ৬১ বলে ৯০ রানের জুটি গড়েন সাইফ। আকবারি করেন ৩০ বলে ২৯ রান। এরপর দ্রুত উইকেট পড়লেও সাইফের ইনিংসেই ভিত পায় ঢাকার স্কোর। শেষদিকে অবশ্য ব্যাটসম্যানরা বড় ঝড় তুলতে পারেননি।

চট্টগ্রামের ব্যাটিংয়ে শুরু থেকেই ধস নামে। প্রথম বলেই আউট হন মোহাম্মদ হারিস। তাসকিনের তোপে সাদমান ইসলাম ফেরেন শূন্য রানে। নাঈম শেখ, হাসান নাওয়াজ, শেখ মেহেদি কিংবা আসিফ আলির কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি।

৭৮ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর আমির জামাল ও শরিফুল ইসলাম নবম উইকেটে ২১ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে কিছুটা লড়াইয়ের ছাপ দেন। তবে তা যথেষ্ট হয়নি। শেষ ওভারে নিজের চতুর্থ উইকেট নিয়ে ম্যাচ শেষ করেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।

এই জয়ে ১০ ম্যাচে ৩টি জয় নিয়ে তলানি থেকে দ্বিতীয় স্থানে আসর শেষ করল ঢাকা। হারলেও আগেই প্লে-অফ নিশ্চিত করা চট্টগ্রাম রয়েছে শীর্ষ দুয়ে, ফলে ফাইনালে ওঠার দুটি সুযোগ পাচ্ছে তারা। তবে টানা দুই ম্যাচের হার তাদের জন্য কিছুটা হলেও উদ্বেগের কারণ।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ