শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীদের অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান শামা ওবায়েদের রাতে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, গড়বেন নতুন ইতিহাস-ব্রিফিংয়ে মাহ্দী আমিন কিশোর গ্যাং দমনে পুলিশের বড় অভিযান: এক রাতেই আটক ৬২৪ চীন-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার হওয়া উচিত: শি জিনপিং ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোটে বিজেপির খরচ ৫২৯ কোটি ভয়ংকর সেপ্টেম্বর দেউলিয়া ঘোষণা চান ১৯৭ ঋণখেলাপি কাউন্সিলর একরাম হত্যা : হাসিনা-কাদেরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি আজ রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনাল : পাঁচ গজ নয়, এক গজ থেকেও স্নাইপারে টার্গেট করা যায়

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৬ বার

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনার সময় হাতে হাতকড়া, মাথায় হেলমেট ও গায়ে ভেস্ট পরানো থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন সাবেক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। তিনি বলেছেন, ‘মনে হচ্ছে আমি সবার টার্গেট। আমি ট্রাইব্যুনালের কাছে সুবিচার চাই।’

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে এ কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় একমাত্র আসামি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। এদিন মামলায় দশম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন আব্বাস মল্লিক। নিজের ভাই আলকাছ মল্লিককে হত্যার জন্য জিয়াউল আহসানকে দায়ী করে তার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন তিনি।

জবানবন্দি শেষে আব্বাস মল্লিককে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ মিজানুর রহমান ও সাহিদুর রহমান। জেরা শেষে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৮ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

এরপর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কথা বলার অনুমতি চান জিয়াউল আহসান। অনুমতি পেয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকার সময় প্রশিক্ষণের কারণে তার কোমর ও ঘাড়ে ব্যথা হয়। কিন্তু কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে আনার সময় তাকে হাতকড়া, হেলমেট ও ভেস্ট পরানো হচ্ছে। এসব থেকে তিনি অব্যাহতি চান।

বিষয়টি নিয়ে প্রসিকিউশনের মতামত জানতে চাইলে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, আসামিকে কীভাবে কারাগার থেকে আনা হবে, সেটি জেল কর্তৃপক্ষের এখতিয়ার। নিরাপত্তাজনিত কারণেই তাকে এভাবে আনা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

তখন ট্রাইব্যুনাল জিয়াউল আহসানকে জানায়, নিরাপত্তার স্বার্থেই তাকে এভাবে আনা হচ্ছে বলে প্রসিকিউশন জানিয়েছে।

জবাবে জিয়াউল বলেন, প্রিজনভ্যান থেকে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানার দূরত্ব মাত্র পাঁচ গজ। গাড়ি থেকে নামানোর সময় প্রায় ২০ জন পুলিশ সদস্যও থাকেন। তাই তাকে হেলমেট, হাতকড়া ও ভেস্ট পরানোর প্রয়োজন নেই।

এ সময় ট্রাইব্যুনাল বলেন, ‘পাঁচ গজ নয়, এক গজ দূর থেকেও কেউ চাইলে স্নাইপারে টার্গেট করতে পারেন।’

জিয়াউল আহসান বলেন, ‘এখানে টার্গেট নেওয়ার কোনো দিক নেই। ট্রাইব্যুনালে অনেক বেশি নিরাপত্তা। চাইলেই কেউ টার্গেট করতে পারবেন না।’

পরে হাতকড়া ও ভেস্ট পরানো থেকে অব্যাহতি চেয়ে লিখিত আবেদন করার পরামর্শ দেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ