বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন ছড়িয়েছে পাশের ভবনে, নিয়ন্ত্রণে ১৪ ইউনিট মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের ঘনঘটা সংঘাতের মধ্যে ইয়েমেনে বেড়েছে কলেরার প্রকোপ, সতর্কবার্তা ডব্লিউএইচওর দাওয়াতি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন চরমোনাই পীর ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, অনিশ্চয়তায় ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী প্রথম ধাপে ৮শ’ ইউপিতে ভোট, প্রভাব বিস্তার ও বিশৃঙ্খলায় তাৎক্ষণিক শাস্তির বিধান সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে স্পিকারের শোক নতুন বিধি করে চাকরিতে পদোন্নতির অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না : হাইকোর্ট সমু চৌধুরীকে পিটিয়ে জখমের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

সরকারের মোট ঋণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
  • ৬৩ বার

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩১১ কোটি টাকা। আর অভ্যন্তরীণ ঋণ ১২ লাখ ৪৭ হাজার ১৫১ কোটি টাকা।

রবিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. গোলাম রুহুলের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে সরকার কর ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব আয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত প্রায় ১০.৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করে ঋণনির্ভরতা কমানোই সরকারের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ঋণ ব্যবস্থাপনার ব্যয় ও ঝুঁকি কমাতে এবং ঋণ কার্যক্রমকে পরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় পরিচালনার জন্য সরকার মিডিয়াম-টার্ম ডেট ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক ঋণ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও সুসংগঠিত হবে।

আমির খসরু বলেন, সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায়ও উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি বিনিয়োগের রিটার্ন বৃদ্ধি পেলে রাজস্ব আদায় বাড়বে এবং বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে ঋণের প্রয়োজনীয়তা কমে আসবে। সুদ ব্যয়ের চাপ কমাতে সরকার ইনভেস্টমেন্ট প্রোফাইল ডাইভারসিফিকেশনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে সুকুক, অ্যাসেট সিকিউরিটাইজেশনসহ বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় উৎস থেকে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ করলেও কনসেশনাল লোন বা স্বল্পসুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ গ্রহণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবিলায় অর্থ বিভাগ বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে- ঋণের স্থিতিশীলতা ও ঝুঁকি মূল্যায়নে ডেট সাসটেইনেবিলিটি অ্যানালাইসিস পরিচালনা; রফতানি আয়, প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির উদ্যোগ জোরদার করা; সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের দায়দেনার ওপর নজরদারি বৃদ্ধি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ