শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বর্তমান সরকারের গতি-প্রকৃতি ও জনপ্রত্যাশা শিক্ষার্থী বিক্ষোভে দিল্লির ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ আগামীকালই পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২৭ জুলাই আগামীর বাংলাদেশে যেন কোনো গ্রামবাসী চিকিৎসার অভাবে প্রাণ না হারায়: ডা. জুবাইদা বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ধর্ষণ, চট্টগ্রাম এনসিপির শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার জিয়াউর রহমান হত্যা মামলা : মোজাফফরকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ, জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি হবে ট্রিলিয়ন ডলারের: প্রধানমন্ত্রী আটঘর-কুড়িয়ানা পেয়ারা বাগান ভ্রমণে ৮ নির্দেশনা

পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৩৪২৯, ঋণ পরিশোধ ২৫১৬ কোটি টাকা

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ৩০ বার
উদ্বোধনের চার বছরপূর্তির আগেই পদ্মা সেতু থেকে ৩ হাজার ৪২৯ কোটি টাকার বেশি টোল আদায় হয়েছে। একই সময় আদায় করা টোল থেকে সরকারের কাছে ঋণের ১৬টি কিস্তিতে মোট ২ হাজার ৫১৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

পরিশোধ করা হয়েছে ৪৩৬ কোটি টাকার বেশি ভ্যাট। কোনো কিস্তিই বকেয়া নেই।মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত পদ্মা সেতু ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধন করা হয়।

২৬ জুন থেকে সেতু যানচলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ২০২৬ সালের ২৯ জুন পর্যন্ত সেতু দিয়ে মোট ২ কোটি ৬৮ লাখ ৬২ হাজার ৮০৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ থেকে টোল হিসেবে মোট ৩ হাজার ৪২৯ কোটি ৪৫ লাখ ২৫ হাজার ৫৫০ টাকা আদায় হয়েছে।সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, ‘পদ্মা সেতু দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।

একই সঙ্গে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা এবং ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করা হচ্ছে।’তিনি জানান, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও অর্থ বিভাগের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী ১ শতাংশ সুদে ৩৫ বছরে মোট ৩৬ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রতি অর্থবছরে চার কিস্তিতে মোট ১৪০ কিস্তির মাধ্যমে এই অর্থ পরিশোধ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পদ্মা সেতুর সার্বিক নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক মানের রক্ষণাবেক্ষণ এবং স্বয়ংক্রিয় টোল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। একই সঙ্গে ইউনিফায়েড ন্যাশনাল ইটিসি ফ্রেমওয়ার্ক (ইউএনইএফ) বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরো আধুনিক ও ডিজিটাল করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

২০০২ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে পরিচালিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং মাওয়া-জাজিরা অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণের কাজ পরবর্তী সময়ে পদ্মা সেতুর চূড়ান্ত নকশা ও নির্মাণপ্রক্রিয়ার ভিত্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ