শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

ইতিহাস গড়ে রোনালদো বললেন ‘আই এম ব্যাক’

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
  • ৫২ বার

বিশ্বকাপে অবশেষে গোলের দেখা পেলেন পর্তুগালের তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি শুধু দলের বড় জয়ই নিশ্চিত করেননি, বরং দীর্ঘ এক হতাশাজনক সপ্তাহের পর নিজের সেরা ছন্দে ফেরার বার্তাও দিয়েছেন।

মঙ্গলবারের ম্যাচে রোনালদোর দুই গোলের ওপর ভর করে পর্তুগাল ৫-০ ব্যবধানে সহজ জয় পায়। এর ফলে প্রথম ম্যাচে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর সঙ্গে ১-১ ড্রয়ের পর দল ও খেলোয়াড়—দু’পক্ষই কিছুটা স্বস্তি ফিরে পায়।

এই ম্যাচে গোল করার মাধ্যমে রোনালদো বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি গড়েন। পাশাপাশি তিনি পর্তুগালের হয়ে কিংবদন্তি ইউসেবিওকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতাও হন।

মেসি, আর্লিং হালান্ড ও কিলিয়ান এমবাপ্পে যখন টুর্নামেন্টে নিজেদের গোল উদযাপন করছিলেন, তখন রোনালদোও নিজের নাম তালিকায় যোগ করে নেন।

পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ বলেন, ‘মেসি-রোনালদোর মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা দুই খেলোয়াড়কেই আরও ভালো হতে অনুপ্রাণিত করে।’

তিনি বলেন, ‘এই দুই ফুটবলার বছরের পর বছর ফুটবলকে উন্নত করেছেন এবং তাদের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিজেদের উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। রোনালদো জাতীয় দলের একজন আদর্শ খেলোয়াড়, যিনি মাঠে ও ড্রেসিং রুমে অসাধারণ মনোভাব দেখান।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু গোল নয়, রোনালদোর পাস ও সুযোগ তৈরির ক্ষমতাও তাকে বিশ্বকাপের আদর্শ খেলোয়াড় হিসেবে তুলে ধরে।’

এদিন ম্যাচ শেষে রোনালদো ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বলেন ‘আই এম ব্যাক (আমি ফিরে এসেছি)’।

তবে কোচ মার্তিনেজ জানান, তিনি কখনোই রোনালদোকে নিজের ওপর সন্দেহ করতে দেখেননি। তিনি বলেন, ‘রোনালদো একজন মানবিক মানুষ এবং অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেন, কিন্তু তার সবচেয়ে বড় গুণ হলো প্রতিদিনই নতুন উদ্যমে কাজ করার মানসিকতা।’

অন্যদিকে উজবেকিস্তানের কোচ ফাবিও ক্যানাভারো, যিনি ২০০৬ বিশ্বকাপে ইতালিকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন, রোনালদোর দীর্ঘ ক্যারিয়ার ও ধারাবাহিকতার প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, ‘রোনালদোর বিপক্ষে খেললে তাকে এক মুহূর্তের জায়গাও দেওয়া যায় না, নইলে সে সুযোগ পেলে গোল করে দেয়। তার মতে, রোনালদোকে দলে সবাই খেলায় যুক্ত রাখে এবং সতর্ক ডিফেন্ডার না হলে তাকে আটকানো কঠিন।’

ম্যাচ শেষে ক্যানাভারো রোনালদোকে আরও অনেক বছর খেলা চালিয়ে যাওয়ার শুভকামনাও জানান।

এদিকে ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো রোনালদোর এই অর্জনের প্রশংসা করে তাকে অভিনন্দন জানান এবং টুর্নামেন্টের বাকি সময়ের জন্য শুভকামনা জানান।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ