মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আগামীকাল কুড়িগ্রাম যাচ্ছেন এনসিপির ৩ নেতা ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৩ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সবসময় থাকার প্রতিশ্রুতি ডা. জুবাইদা রহমানের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে যোগ দিলেন রাশেদ খাঁন দিল্লিমুখী হাজারো কৃষক, নতুন চাপে মোদি সরকার ভিডিও ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন জামায়াত এমপির ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন স্বাভাবিক-তথ্য উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বার্থা’ সরকারের ঋণ বেড়েছে ২৩ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় নিহত ২০, নিখোঁজ শতাধিক

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন জুলাইতে পরিশোধ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
  • ২৮ বার

জুলাই মাসের মধ্যে মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে প্রিয় ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হচ্ছে শিক্ষা।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন ও ডিনস এবং ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অনেক মাদরাসা শিক্ষক মে ও জুন মাসের বেতন পাননি। তিনি জানান, ২০১৭ সালে নেওয়া ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইটিএফ) প্রকল্পের ব্যয় ১০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ৮০ কোটি টাকায় পৌঁছালেও প্রকল্পটি শেষ হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, ‘গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রায় ১৭ হাজার মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগ দিলেও তাদের বেতনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করেনি। প্রতি মাসে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন পরিশোধে ৫০০ কোটিরও বেশি টাকা প্রয়োজন হয়। আমাদের হাতে থাকা ১০০ কোটি টাকা ইতিমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জুলাই মাসের মধ্যে সব শিক্ষকের বেতন পরিশোধ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় তার সবচেয়ে পছন্দের বিভাগ কোনটি, তিনি বলবেন শিক্ষা। দ্বিতীয়বার জিজ্ঞাসা করলেও উত্তর হবে শিক্ষা। আর যদি জানতে চান কোন খাতকে তিনি অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি স্বাবলম্বী করতে চান, সেখানেও তার উত্তর হবে শিক্ষা।’

এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হলে কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। সরকার ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষার আওতায় আনার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি আমাদের তরুণ জনগোষ্ঠীকে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে পারি, তাহলে দেশের আয় বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়নের কাজও চলমান রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তিনি প্রতিনিয়ত দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘একটি দক্ষ ও শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে। দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি হচ্ছে শিক্ষা।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো.শাহজাহান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.মামুন আহমেদ, নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ৪৯ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং তিনজনকে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সকালে কেক কেটে, পায়রা উড়িয়ে ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ