সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন

বেনজীরকে ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরত নিতে আমিরাতের চিঠি

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ১ বার

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। একই সঙ্গে তাকে ফিরিয়ে নিতে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ অনুযায়ী সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হন বেনজীর আহমেদ। গত ১২ জুন লন্ডন থেকে এশিয়ার একটি দেশের উদ্দেশে যাত্রাকালে দুবাই ট্রানজিটে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ‘এনসিবি আবুধাবি’ থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ‘এনসিবি ঢাকা’ শাখায় এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন (এক্সট্রাডিশন রিকোয়েস্ট) পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ (নং- A-5174/4-2025) অনুযায়ী বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিচারিক কর্তৃপক্ষের সামনে হাজির করা হলে আদালত দেশটির ‘ফেডারেল আইন নং ৩৯/২০০৬’-এর ১১ নং ধারা অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।

আইন অনুযায়ী, এই গ্রেপ্তারের পর ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক মাধ্যমের সাহায্যে লিখিতভাবে বাংলাদেশ সরকারকে একটি প্রত্যর্পণ অনুরোধ জমা দিতে হবে। অন্যথায় আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।

আরব আমিরাতের ফেডারেল আইন অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের জন্য মূল অনুরোধপত্রের সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সম্পূর্ণ আরবি ভাষায় অনুবাদ করে, উপযুক্ত স্বাক্ষর ও সিলমোহরসহ জমা দিতে হবে।

নথিপত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম, বিস্তারিত বিবরণ, ছবি এবং তার জাতীয়তা ও আবাসন সংক্রান্ত তথ্য।

২. যে অপরাধের জন্য তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, বাংলাদেশের আইনে তার ধারা, সর্বোচ্চ শাস্তি এবং সীমাবদ্ধতার সংবিধির কপি।

৩. বাংলাদেশের বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারিকৃত আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

৪. মামলার ঘটনার বিবরণ, অপরাধের ধরন, সময় ও স্থান উল্লেখপূর্বক তদন্ত প্রতিবেদনের অনুলিপি।

৫. যদি ব্যক্তিটি ইতোমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন, তবে আদালতের রায় এবং সাজা কার্যকরের আনুষ্ঠানিক অনুলিপি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ