সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা বিজিবিকে দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হামাসের নতুন প্রধান খলিল আল-হাইয়া দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার সাইদুর রহমান সারাদেশে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জুলাইয়ের হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি জ্যাকব গ্রেপ্তার স্পেনের জয়ে সেজদা দেওয়ায় প্রতিবন্ধীকে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মারধর জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে ঢাকার চিঠি বিশ্বকাপে রেকর্ড প্রাইজমানি, কত পেল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন মোজাফফর হোসেনের বিচার হবে সেনা আইনে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ক্লাসের বিকল্প ৪ প্রস্তাব অভিভাবকদের

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২৪ বার

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাসের সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল পেরেন্টস ফোরাম। সংগঠনের সভাপতি এ কে এম আশরাফুল হক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে।

এর পরিবর্তে পড়াশোনার ক্ষতি না করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ৪টি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন অভিভাবকরা। বিবৃতিতে অনলাইন ক্লাসের বিপক্ষে তিনটি যুক্তি তুলে ধরা হয়।

সামনেই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা এবং মে মাসে সাধারণ স্কুলগুলোর সেশন ফাইনাল। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করলে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে বড় ধরনের ধস নামবে।

করোনাকালীন অনলাইন ক্লাসের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে বলা হয়, স্কুলপর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি ফলপ্রসূ নয়। ক্লাসরুমের পরিবেশ ও শিক্ষকদের সরাসরি তত্ত্বাবধান ছাড়া পড়াশোনার মান বজায় রাখা সম্ভব নয়।

আশরাফুল হক বলেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজারে উচ্চগতির ইন্টারনেট ও ডিভাইসের খরচ অভিভাবকদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করবে। এছাড়া কর্মজীবী অভিভাবকদের জন্য সন্তানদের অনলাইন ক্লাস তদারকি করা প্রায় অসম্ভব।

অভিভাবক সংগঠনটি ৪টি বিকল্প প্রস্তাব তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সচল রাখা সম্ভব বলে মনে করেন পেরেন্টস ফোরাম।

তাদের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে ৩+৩ মডেল বাতিল। ৩ দিন অনলাইন ও ৩ দিন অফলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বাতিল করা। সপ্তাহে ৪ দিন সশরীরে (অফলাইন) ক্লাস চালু রেখে বাকি ৩ দিন স্কুল সম্পূর্ণ ছুটি রাখা। এতে যাতায়াত ও প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ—উভয়ই সাশ্রয় হবে।

এছাড়া প্রয়োজনে স্কুলের প্রতিদিনের কার্যঘণ্টা বা ক্লাসের সময় কিছুটা কমিয়ে আনা। শ্রেণিকক্ষে এসির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের ব্যবহার নিশ্চিত করার মতো অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে গিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন যেন খাদের কিনারে ঠেলে দেওয়া না হয়।

দ্রুত একটি যৌক্তিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্তেরও দাবি জানান তারা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ