মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আগামীকাল কুড়িগ্রাম যাচ্ছেন এনসিপির ৩ নেতা ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৩ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সবসময় থাকার প্রতিশ্রুতি ডা. জুবাইদা রহমানের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে যোগ দিলেন রাশেদ খাঁন দিল্লিমুখী হাজারো কৃষক, নতুন চাপে মোদি সরকার ভিডিও ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন জামায়াত এমপির ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন স্বাভাবিক-তথ্য উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বার্থা’ সরকারের ঋণ বেড়েছে ২৩ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় নিহত ২০, নিখোঁজ শতাধিক

যেসব শীর্ষ নেতাকে হারাল ইরান

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪৬ বার

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক হামলায় ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদসহ একাধিক শীর্ষ নেতা নিহত হন। যুক্তরাষ্ট্র এই হামলার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ও ইসরায়েল নামকরণ করেছে ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’। বিপরীতে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ফোর’ নামে পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান।

হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক, গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের অনেকেই নিহত হয়েছেন। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছাড়াও আবদুল রহিম মুসাভি, আজিজ নাসিরজাদেহ, আলি শামখানি ও মোহাম্মদ পাকপুরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মাধ্যম।

আবদুল রহিম মুসাভি : আবদুল রহিম মুসাভি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনীর (আরটেস) নেতৃত্বে ছিলেন। ২০১৭ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তাকে সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন। তিনি স্থল, নৌ ও বিমান- এই তিন বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম তদারক করতেন। ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশল, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সামরিক প্রস্তুতিতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

আজিজ নাসিরজাদেহ : ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহ ছিলেন দেশটির বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান এবং শীর্ষ সামরিক কৌশলবিদদের একজন। দীর্ঘ সামরিক জীবনে তিনি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়ন কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করা নাসিরজাদেহ প্রতিরক্ষা শিল্প ও সামরিক আধুনিকায়ন তদারকি করতেন।

আলি শামখানি : ৭০ বছর বয়সী আলি শামখানি ছিলেন ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের সচিব। ২০২৩ সালে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই তিনি প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আইআরজিসি নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান ছিলেন এবং সর্বোচ্চ নেতা খামেনির ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

মোহাম্মদ শিরাজি : মোহাম্মদ শিরাজি ছিলেন সর্বোচ্চ নেতা খামেনির সামরিক ব্যুরোর প্রধান। ১৯৮৯ সাল থেকে তিনি খামেনির সামরিক দপ্তরের দায়িত্বে ছিলেন এবং সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডারদের সঙ্গে সর্বোচ্চ নেতার সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করতেন।

মোহাম্মদ পাকপুর : মোহাম্মদ পাকপুর ছিলেন আইআরজিসি কমান্ডার। ইসরায়েলের ভাষ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল ধ্বংসের ইরানি পরিকল্পনার অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন। তিনি ইরানের প্রধান সামরিক বাহিনী পরিচালনা এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন ব্যব¯’ার তদারকি করতেন। বিদেশে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতিও তার সমর্থন ছিল। গত মাসের বিক্ষোভ দমনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

হোসেইন জাবাল আমেলিয়ান : হোসেইন জাবাল আমেলিয়ান ছিলেন ডিফেন্সিভ ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (এসপিএনডি) প্রধান। তিনি ইরানের জন্য উন্নত প্রযুক্তি ও অস্ত্র উন্নয়নের দায়িত্বে ছিলেন বলে বর্ণনা করা হয়েছে, যার মধ্যে পারমাণবিক, জৈব ও রাসায়নিক প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত ছিল।

রেজা মোজাফফারি-নিয়া : রেজা মোজাফফারি-নিয়া ছিলেন এসপিএনডির সাবেক প্রধান। পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন প্রচেষ্টায় তার ভূমিকা ছিল বলে ধারণা করা হয়।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ