প্রস্তাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২ হাজার ২৫০ কিলোমিটার এবং দক্ষিণ সিটির ১ হাজার ১৭০ কিলোমিটার ফিডার সড়কে চার লাখ করে মোট আট লাখ রিকশা চলাচলের অনুমোদনের কথা বলা হয়েছে।
পরিকল্পনায় বুয়েট অনুমোদিত নতুন ব্যাটারিচালিত রিকশা নিবন্ধনের পর সড়কে নামানোর কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি এক্সচেঞ্জ কর্মসূচির মাধ্যমে পুরোনো রিকশা বদলে নতুন রিকশা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
খসড়া সিদ্ধান্তে একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি রিকশার নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রতিটি রিকশার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল সর্বোচ্চ ১০ বছর নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। মেয়াদ শেষে নিবন্ধন বাতিল করা হবে।
সিটি করপোরেশন এলাকায় দুই সিটের রিকশার জন্য এককালীন ১০ হাজার টাকা নিবন্ধন ফি এবং বছরে ৩ হাজার টাকা নবায়ন ফি প্রস্তাব করা হয়েছে।
১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী নাগরিকরা জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে ৫০০ টাকা ফি দিয়ে পাঁচ বছরের জন্য চালকের লাইসেন্স পাবেন। লাইসেন্সধারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হবে।
অবৈধ চার্জিং বন্ধে নির্দিষ্ট চার্জিং পয়েন্ট ও গ্যারেজে ব্যাটারি চার্জের ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রচলিত চার্জিংয়ের পরিবর্তে সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক ব্যাটারি সোয়াপিং ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাবও রয়েছে। এতে এক থেকে দেড় মিনিটে ব্যবহৃত ব্যাটারির বদলে চার্জ করা ব্যাটারি বসিয়ে দেওয়া যাবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, চার লাখ রিকশার জন্য স্টেশনের সক্ষমতা অনুযায়ী এক হাজার থেকে ছয় হাজার ব্যাটারি সোয়াপিং স্টেশন প্রয়োজন হতে পারে। প্রতিটি স্টেশন স্থাপনে প্রাথমিক বিনিয়োগ ধরা হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা। অর্থায়নে গ্রিন ফান্ড থেকে ৭০ শতাংশ, সরকারি প্রণোদনা ২০ শতাংশ এবং উদ্যোক্তার নিজস্ব বিনিয়োগ ১০ শতাংশ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।