বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফিকে হয়ে যাচ্ছে নেতানিয়াহুর ‘ট্রাম্প কার্ড’? আলিফের একটা চোখের দৃষ্টি টোটালি শেষ: সারজিস পুত্রজায়ায় মন্ত্রী-উপদেষ্টার সঙ্গে মানবসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠক, শ্রমবাজার নিয়ে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে খননকাজ, নোয়াখালী থেকে প্রতিদিন মিলতে পারে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সার্ককে কার্যকর করতে একমত ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও নেপালের রাষ্ট্রদূত সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে প্রজ্ঞাপন ইসিতে ৯ দফা দাবি জানাল জামায়াত চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক বিএনপি নেতা কারাগারে ব্রাজিলকে বিদায় জানালেন নেইমার ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৩৪

‎ফরিদপুরে হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৪ বার

‎ফরিদপুরে ফয়সাল শেখ (২২) নামের এক সবজি বিক্রেতাকে হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোহাম্মাদ বদিউজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছে ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার আইয়ুব আলী সরদারের ছেলে চাঁন সরদার (৪২) ও তারা সরদার (৩৫), জিয়াউল হক আকন্দের ছেলে বাবুল আকন্দ (৩৬)। তাদের মধ্যে রায় ঘোষণার সময় বাবুল আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণা শেষে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ছাড়া পলাতক দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৪ বছর আগে ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনে ফয়সাল শেখকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়। গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

নিহত ফয়সাল ফরিদপুর শহরের মধ্য আলীপুর এলাকার মৃত আকু শেখের ছেলে। এ ঘটনার পরেরদিন ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় চাঁন সরদার, তারা সরদার ও শাহিন সরদারের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন নিহতের মা ফিরোজা বেগম ৷

মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, ফয়সাল শহরের হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজারের বেইলি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার সবজি বিক্রেতা ছিলেন। এছাড়া চাঁন সরদারের আড়তে লেবারের কাজ করতেন। ঘটনার আগে তার ছেলে ফয়সালের সঙ্গে আসামি চাঁন সরদারের মনোমালিন্যের জেরে কথা কাটাকাটি হয়। এরমধ্যে ঘটনার দিন দুপুরে ফয়সাল শেখ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এলাকায় পৌঁছালে তাকে কৌশলে নির্মাণাধীন ভবনের পাশে ডেকে নিয়ে যায় চাঁন সরদার। সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা অন্য আসামিরা এলোপাতাড়িভাবে মারধর ও ছুরিকাঘাত করেন। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালের নেওয়া হলে তাৎক্ষণিক ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান।

আদালত সূত্রে আরও জানা যায়, এ মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন ফরিদপুর সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহজাহান মিয়া। তিনি ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই চারজন আসামির নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তাতে উল্লেখিত তিনজন আসামিসহ তদন্তপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে বাবুল আকন্দের নাম সংযুক্ত করেন। এ মামলার শুনানি চলাকালে শাহিন সরদার (২২) মারা যান।

সংশ্লিষ্ট আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) চৌধুরী জাহিদ হাসান (খোকন) বলেন, দীর্ঘ শুনানি ও স্বাক্ষ্যগ্রহণের মধ্যে আদালতে হত্যাকাণ্ডটি সন্দেহতীতভাব প্রমাণিত হয় এবং তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে৷ এ মামলার এজাহারভূক্ত একজন আসামি মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়। বাকি দুজন পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ